সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন লিটন দাস। তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই কভার ড্রাইভে চার মেরে তুলে নেন নিজের ২০তম টেস্ট ফিফটি। সেই সঙ্গে গড়েন নতুন ব্যক্তিগত রেকর্ডও। ৫৪ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার এক ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে সর্বোচ্চ রানের কীর্তি গড়লেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
এর আগে এক টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে লিটনের সর্বোচ্চ রান ছিল ১৯৩। ২০২২ সালে মিরপুরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৪১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫২ রান করেছিলেন তিনি। সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১২৬ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি ছুঁয়ে ১৯৪ রানে পৌঁছে পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেন লিটন।
প্রথম সেশনে ৬৬ বলে ৪৮ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন তিনি। লাঞ্চের পর নেমেই নিজের প্রথম বলটি বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে পঞ্চাশ পূর্ণ করেন। মিরপুর টেস্টে দুই ইনিংসে ৩৩ ও ১১ রান করা লিটন সিলেটে দুই ইনিংসেই পঞ্চাশ ছাড়ানো ইনিংস খেললেন। প্রথম ইনিংসে তার ১৫৯ বলে ১২৬ রানের ইনিংসেই মূলত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
অন্যদিকে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও খেলেছেন দায়িত্বশীল ইনিংস। লিটনের রেকর্ড গড়ার দিনে তিনি তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৩০তম টেস্ট ফিফটি। ১০৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় এই মাইলফলকে পৌঁছান অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে অলআউট করে ৪৬ রানের লিড নেয় বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৬ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে স্বাগতিকরা। তবে দিনের শুরুতেই ধাক্কা খায় দল। ৪৬ বলে ১৫ রান করা অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি।
এরপরই মুশফিককে নিয়ে ইনিংস গড়ার কাজ শুরু করেন লিটন। দুজন মিলে পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৮৮ রানের জুটি গড়ে প্রথম সেশন শেষ করেন। ৪১তম ওভারের তৃতীয় বলে লিটনের নেওয়া সিঙ্গেলেই বাংলাদেশের লিড ছাড়িয়ে যায় ২০০ রান। লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশের লিড ছিল ২৪৯ রান।










Discussion about this post