ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের অস্থিরতার পর সমাধানের আভাস মিললেও নতুন করে আরেকটি জটিলতা তৈরি হয়েছে অবনমন ও উন্নয়ন ব্যবস্থা ঘিরে। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের সঙ্গে বিরোধের জেরে প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ক্লাব লিগে অংশ নেয়নি। ফলে বৈরী পরিস্থিতিতে প্রথম বিভাগের ২০টি ক্লাবের মধ্যে মাত্র ১২টি এবং দ্বিতীয় বিভাগের ২৪টির মধ্যে ১২টি দল নিয়ে লিগ আয়োজন করতে হয়েছে।
পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে শুরু করে তামিম ইকবাল সভাপতি হওয়ার পর। তার নেতৃত্বে বিরোধে থাকা ক্লাবগুলো অবশেষে আলোচনার টেবিলে বসে। এর আগে লিগে অংশ না নেওয়া ক্লাবগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ। বারবার অনুরোধ উপেক্ষা করায় সেই ক্লাবগুলোকে শাস্তিস্বরূপ নিচের বিভাগে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল।
তবে বুলবুলের বোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায়। নতুন নেতৃত্বে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে ক্লাবগুলোকে অবনমনের শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। এতে তামিমের সমর্থক ক্লাবগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা এটিকে এক ধরনের ‘বিজয়’ হিসেবেই দেখছে।
গতকাল প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকের পর বর্তমান সভাপতি তামিম এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন। কিন্তু সমস্যার এখানেই শেষ নয়। নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এ বছর ঢাকা লিগের কোনো বিভাগেই অবনমন বা উন্নয়নের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে।
বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ থেকে খেলে ইতোমধ্যে ওপরের লিগে উন্নীত হওয়া চারটি ক্লাব এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। তাদের দাবি, মাঠের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে অর্জিত উন্নয়ন আটকে দেওয়া অন্যায্য এবং এটি প্রতিযোগিতার স্বাভাবিক ধারাকে ব্যাহত করবে।










Discussion about this post