এইতো গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে ছিল বিরতি। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা ছিলেন বিশ্রামে, কেবল বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দলের ক্রিকেটাররাই ছিলেন আন্তর্জাতিক সূচির মধ্যে। তবে সেই বিরতি কাটিয়ে আবারও মাঠে ফিরছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট।
প্রথমে শুরু হবে ওয়ানডে ফরম্যাটের বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)। আগামী ২৩ তারিখ থেকে মাঠে গড়াবে এই প্রতিযোগিতা। ঘরোয়া ক্রিকেটের এই আসর দিয়েই দীর্ঘ বিরতির পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরবেন ক্রিকেটাররা।
এরপর মার্চের প্রথম সপ্তাহে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী ৫ মার্চ থেকে টুর্নামেন্টটি মাঠে নামতে পারে। ভেন্যু হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনায় রয়েছে কক্সবাজার ও সিলেট। দুটি জায়গাতেই দুটি করে মাঠ থাকায় আয়োজনের সুবিধা বিবেচনায় এই দুই ভেন্যুর যেকোনো একটিতে চূড়ান্তভাবে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
এই ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ। ২০২৬ যুব বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ২০২৮ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নতুন করে অনূর্ধ্ব-১৯ দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই প্রাথমিকভাবে ৩০ জন ক্রিকেটার নিয়ে একটি স্কোয়াড গঠন করা হবে বলে জানা গেছে।
জাতীয় রাজনীতির ব্যস্ততা শেষে আবারও মাঠের ক্রিকেটে ফিরছে দেশ। বিসিএল দিয়ে শুরু হয়ে যুব লিগের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ক্রিকেটারদের পথচলা নির্ধারণের প্রস্তুতিও শুরু হচ্ছে একই সঙ্গে।










Discussion about this post