কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে ছিল বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে শেষ পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কারই ছিল। টসের সময় পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আঘা ও ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের মধ্যে হ্যান্ডশেক না হওয়াও আলোচনার জন্ম দেয়। মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য একতরফা আধিপত্য দেখায় ভারত, ৬১ রানের জয় তুলে নিয়ে নিশ্চিত করে সুপার এইট।
ম্যাচ শেষে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান। নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘ভারত দারুণ খেলেছে। সংস্করণ, ভেন্যু, তারিখ বদলাতে পারে। তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ফল একই। পুরো দলকে অভিনন্দন।’ সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান তাঁর কথাকেই যেন জোরালো করে। গত সাড়ে তিন বছরে দুই দলের ১০ দেখায় ৯ বার জিতেছে ভারত; একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের সবশেষ জয় এসেছিল ২০২২ এশিয়া কাপে দুবাইয়ে।
ব্যাটিংয়ে ভারতের ভিত গড়ে দেন ওপেনার ইশান কিশান। ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংসে তিনি মারেন ১০টি চার ও ৩টি ছক্কা। তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। পাকিস্তান কৌশল হিসেবে ১৮ ওভার স্পিন ব্যবহার করে, পেসে মাত্র ২ ওভার করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ভারতের ৭ উইকেটের মধ্যে ৩টি নেন সাইম আইয়ুব। একটি করে উইকেট পান উসমান তারিক ও সালমান নিজে। তবে লেগস্পিনার শাদাব খান ও আবরার আহমেদ চার ওভারে ৫৫ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।
রান তাড়ায় পাকিস্তানের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে। ১৮ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সালমান আলী আঘা বলেন, ‘আমরা চার স্পিনার নিয়েছিলাম। তাদের মধ্যে এক জনের দিনটা বাজে গিয়েছিল। ব্যাট হাতে আমাদের শুরুটা ভালো ছিল না। প্রথম ইনিংসে উইকেট একটু কঠিন ছিল এবং বলও থেমে থেমে আসছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে পিচ ভালো আচরণ করলেও ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারিনি।’
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুই দলের ৯ দেখায় ৮ বার জিতেছে ভারত, পাকিস্তানের একমাত্র জয় ২০২১ আসরে।










Discussion about this post