আজ থেকে শুরু হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০ দলের এই আসরে বাংলাদেশ নেই-এই বাস্তবতা হতাশ করেছে দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের বড় একটি অংশকে। তবে এই অনুপস্থিতি নিয়ে পড়ে থাকতে রাজি নন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান জাতীয় দলের কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। তার দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ, সামনে তাকানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বকাপ শুরু হলেও বাংলাদেশ নেই-এমন অবস্থায় তিনি বিশ্বকাপ দেখবেন কি না এবং ক্রিকেটাররা মানসিকভাবে বিমর্ষ কি না, এমন প্রশ্নের মুখে পড়েন আশরাফুল। জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, অতীত নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিকেই তার মনোযোগ।
এ প্রসঙ্গে আশরাফুল বলেন, ‘হ্যাঁ, কেন খেলা দেখব না? যেকোনো খেলাই আমরা টিভিতে লাইভ হলে দেখি। এই ফরম্যাটে আমি চারবার খেলেছি, দুইবার ক্যাপ্টেন্সি করেছি। নতুন রোলে দলের সাথে আছি। এটা শেষ হয়ে গেছে, এই পার্ট নিয়ে চিন্তা না করাই ভালো।’
বিশ্বকাপ না খেললেও ক্রিকেটারদের যেন মানসিকভাবে খেলার মধ্যেই রাখা যায়, সেটাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন তিনি। ব্যস্ততা যে হতাশা কাটানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়-সেই কথাও তুলে ধরেছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
আশরাফুলের ভাষায়, ‘আমরা এখন এই টুর্নামেন্ট (অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ) নিয়ে আছি, তারপর নির্বাচনের পর বিসিএল হবে। সেটা নিয়ে ব্যস্ত থাকব। প্লেয়াররা যদি ব্যস্ত থাকে তখন এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় থাকে না।’
বর্তমান বাংলাদেশ দলকে নিয়েও বেশ আশাবাদী আশরাফুল। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ফরম্যাটে দলের গঠন ও মানসিক দৃঢ়তায় তিনি ইতিবাচক দিক দেখছেন। সাম্প্রতিক সিরিজে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তার বিশ্বাস, দল এখন অনেক বেশি গোছানো।
এ বিষয়ে আশরাফুল বলেন, ‘আমি লাস্ট সিরিজে কাজ করেছি টি-২০ ও টেস্ট ফরম্যাটে। এই দুই দল মনে হয়েছে খুব গোছানো আছে। টি-২০ প্লেয়াররা যদি দেখেন, প্রত্যেকে আরও ৮-১০ বছর সহজেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে পারবে, ঐ বয়স তাদের আছে ফিটনেস লেভেলও ভালো। বিশ্বকাপের পর যেসব সিরিজ হবে, সেখানে সবাই সেরাটা খেলা খুব জরুরী। কারণ বিশ্বকাপের পর আমাদের প্রচুর খেলা। সব সিরিজেই যেন ভালো খেলি, সেই প্রস্তুতি মানসিক ও শারীরিকভাবে নিতে হবে।’










Discussion about this post