বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নতুন মৌসুম সামনে রেখে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই চলছে জোর প্রস্তুতি। ৩০ নভেম্বরের নিলামের আগে প্রতিটি দলের জন্য ছিল দুইজন করে স্থানীয় এবং দুইজন করে বিদেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি দলে ভেড়ানোর সুযোগ। ইতোমধ্যে ছয়টি দলই তাদের সরাসরি সাইনিং চূড়ান্ত করেছে। দেশি–বিদেশি মিলিয়ে মোট ১৮ জন ক্রিকেটারের গন্তব্য নির্ধারিত হয়েছে। যদিও রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এখনও কোনো বিদেশি ক্রিকেটারের নাম ঘোষণা করেনি।
রংপুর রাইডার্স নির্ভরতা দেখিয়েছে জাতীয় দলের দুই নিয়মিত মুখের ওপর। উইকেটকিপার ব্যাটার নুরুল হাসান সোহান এবং কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়েই তারা গড়ছে নিজেদের স্থানীয় শক্তি। অন্যদিকে ঢাকা ক্যাপিটালসও দলে টেনেছে দুই তারকা ক্রিকেটার—গতিময় পেসার তাসকিন আহমেদ এবং ওপেনার সাইফ হাসানকে। বিদেশি কোটায় তারা সাইন করিয়েছে ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস ও পাকিস্তানের ব্যাটার উসমান খানকে। পুরো মৌসুম হেলসকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও উসমান খানকে পুরো টুর্নামেন্টে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী দলটি।
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি সিলেট টাইটান্স তাদের স্কোয়াড গড়েছে মূলত স্পিনভিত্তিক ভাবনায়। জাতীয় দলের অলরাউন্ডার নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে তারা শক্তিশালী স্থানীয় স্পিন আক্রমণ তৈরি করেছে। বিদেশিদের মধ্যে সাইম আইয়ুব ও মোহাম্মদ আমিরকে নিশ্চিত করেছে দলটি। পাকিস্তানের এই দুই ক্রিকেটারকে পুরো মৌসুম দলে পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স তাদের সরাসরি সাইনিং হিসেবে নিয়েছে দুই টপঅর্ডার ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিমকে। যদিও বিদেশিদের ক্ষেত্রে এখনও কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি তাদের। একই অবস্থায় আছে রংপুর রাইডার্সও, যারা এখনো কোনো বিদেশি খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেনি।
নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসও নিজেদের স্কোয়াড গোছাতে ব্যস্ত। অলরাউন্ডার সৌম্য সরকার ও পেসার হাসান মাহমুদকে দলে টেনে স্থানীয় শক্তি বাড়িয়েছে তারা। বিদেশিদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস এবং ক্যারিবিয়ান তারকা জনসন চার্লসকে চুক্তিবদ্ধ করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম রয়্যালস দলে নিয়েছে স্পিনার শেখ মাহেদী হাসান ও তানভীর ইসলামকে। বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে তারা যুক্ত করেছে পাকিস্তানের লেগ স্পিনার আবরার আহমেদকে।









Discussion about this post