অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে দলগত ব্যর্থতার মাঝেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের কারণে আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের।
সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে দুই ম্যাচ খেলে তিন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ওভারপ্রতি মাত্র ৫.২৮ রান খরচ করেছেন তিনি। এই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে এক লাফে ২৭ ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠে এসেছেন নাসুম। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এখন তিনিই সর্বোচ্চ র্যাঙ্কধারী। এর আগে এই জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে রেখেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
তবে মুস্তাফিজের অবস্থানে অবনতি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে দুই ম্যাচে দুই উইকেট নিলেও দুই ধাপ পিছিয়ে তিনি এখন ১৫ নম্বরে রয়েছেন। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান সাত ধাপ পিছিয়ে ২৪ নম্বরে এবং রিশাদ হোসেন নয় ধাপ পিছিয়ে ৩৩ নম্বরে নেমে গেছেন। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার পেসার ন্যাথান এলিস তিন ধাপ এগিয়ে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন। শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান।
ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের কয়েকজনের। তাওহিদ হৃদয় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে ৩৫ ও ৬১ রানের ইনিংস খেলায় নয় ধাপ এগিয়ে এখন ৩০তম স্থানে রয়েছেন। প্রথম ম্যাচে মাত্র ৮ রান করলেও পরের দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স তাকে এগিয়ে দিয়েছে।
সাইফ হাসানও র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি পেয়েছেন। সিরিজে তার ব্যাট থেকে আসে ২০, ৪২ ও ১ রানের ইনিংস। খুব বড় পারফরম্যান্স না হলেও ১৩ ধাপ এগিয়ে তিনি এখন ৩৫তম স্থানে রয়েছেন।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সেরা অবস্থানে থাকা তানজিদ হাসান তামিম অবশ্য এই সিরিজে ব্যর্থতার কারণে দুই ধাপ পিছিয়ে ২৯ নম্বরে নেমে গেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শও এই সিরিজের পারফরম্যান্সে বড় উন্নতি করেছেন। শেষ ম্যাচে ৬০ রানের ইনিংস খেলার পর চার ধাপ এগিয়ে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে উঠেছেন তিনি। ব্যাটারদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের আভিশেক শর্মা।
অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। শেখ মেহেদী হাসান পাঁচ ধাপ এগিয়ে ৩৯তম স্থানে এবং সাইফ হাসান ১৫ ধাপ এগিয়ে ৭৩তম স্থানে রয়েছেন।










Discussion about this post