ফের সামনে এসেছে সাকিব আল হাসানের ফিটনেস প্রসঙ্গ। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে তিনি। থাকায় শারীরিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন আছে। তবে স্বস্তির বার্তা দিলেন জাতীয় দলের ট্রেনার ইফতিখার ইফতি।
মিরপুরের শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান কন্ডিশনিং ক্যাম্পে চলার সময় তিনি ইফতি সাফ জানালেন, ‘সাকিব নিশ্চয়ই দেশের বাইরে থাকলেও ও ইন্টারন্যাশনাল স্টার। সে তার ফিটনেস মেইনটেইন করে। আমি দেখছি যে ওর ফিটনেস ট্রেইনার আছে পার্সোনাল। ফিজিও আছে, নিউট্রিশন আছে। আমার মনে হয় না যে সাকিব ওইখানে ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিস কম পাচ্ছে। আমরা এখানে থাকলে যা মনিটর করব, তার চেয়ে বেশি মনিটরিং এর মধ্যে সাকিব আছে।’
যদিও সাকিবের বর্তমান ফিটনেস নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে হালনাগাদ কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে স্বীকার করেছেন তিনি। তবে নিজের পর্যবেক্ষণ থেকে আশাবাদী ইফতি, ‘সাকিব কিন্তু প্রতিনিয়তই আমি দেখলাম যে ট্রেইনারের সাথে অ্যাক্টিভিটি চলছে। আমি এগুলা খেয়াল করি সবসময়। আমাদের কাছে আপাতত কোনো প্রপার ডেটা নেই, কিন্তু আমার ধারণা সে যেদিন আসবে সে তখন প্রপার ফিট থাকবে।’
সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সময়সূচি এখনও অনিশ্চিত। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ইফতি বলেন, ‘জাতীয় দল এমন একটা জায়গা যখন যে প্লেয়ারগুলো আসবে আমাদের কাছে আমরা শুধু তাদেরকে নিয়েই ট্রেন্ড আপ করব। সাকিবের ইস্যুটা হচ্ছে ন্যাশনাল ইস্যু। সাকিব কবে আসবে, কি করবে সেটা নিয়ে আমি আগের থেকে কোনো প্ল্যান পরিকল্পনা আমাদের তরফ থেকে এখনো সাজাতে পারিনি। সে যখন দেশে আসবে, বিসিবি যখন তাকে মনে করবে যে সে খেলার জন্য প্রস্তুত, তখন আমরা তাকে নিয়ে একটা প্ল্যান করব।’
এদিকে বর্তমান প্রজন্মের ক্রিকেটারদের ফিটনেস সচেতনতা নিয়েও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘আপনারা অনেকেই বলেন আমাদের প্লেয়াররা দায়িত্ববান নয় কিংবা তাদের ফিটনেস ভালো না। কিন্তু তারা এখন খাবার-দাবার (ডায়েট) সম্পর্কে অনেক সচেতন। তারা আমাদের মতো ট্রেইনারদের সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখে এবং ফিজিওদের সাথেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগে থাকে। এই ইতিবাচক পরিবর্তনগুলো এখন তাদের মধ্যে গড়ে উঠছে।’
দীর্ঘ বিরতির পরও সাকিব আল হাসানের ফিটনেস নিয়ে ভেতরে ভেতরে যে আশাবাদ কাজ করছে, সেটাই সামনে তুলে ধরলেন জাতীয় দলের ট্রেনার। এখন দেখার বিষয়, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলে ফেরেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।










Discussion about this post