বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ আসর আজ থেকে শুরু হচ্ছে দুই ম্যাচের মাধ্যমে। মাঠে নামছে ছয় দলের ক্রিকেটাররা, আর মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত দর্শকদের কাছে জীবন্ত করে তুলতে প্রস্তুত দেশি-বিদেশি ধারাভাষ্যকারদের একটি শক্তিশালী দল। ক্রিকেটের উত্তেজনা, কৌশল আর নাটকীয়তা পুরো আসরজুড়ে তুলে ধরাই এবার তাদের প্রধান দায়িত্ব।
এবারের বিপিএল সম্প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ট্রান্স প্রোডাকশন টেকনোলজিসকে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তারা জানিয়েছে, সম্প্রচারের মান ও উপস্থাপনায় নতুনত্ব আনতেই ধারাভাষ্য প্যানেলে অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তার সমন্বয় করা হয়েছে। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে এবারের ধারাভাষ্য তালিকায়।
দেশের দর্শকদের কাছে পরিচিত চারজন কণ্ঠ থাকছেন এবারের বিপিএলে। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের ম্যাচ ও ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাভাষ্য দিয়ে আসা আতহার আলী খান আবারও বিপিএলের কণ্ঠস্বর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর সঙ্গে থাকছেন শামীম চৌধুরী, যিনি আবেগ ও তথ্যনির্ভর ধারাভাষ্যের জন্য পরিচিত। নতুন প্রজন্মের ধারাভাষ্যকারদের মধ্যে সমন্বয় ঘোষ ও মাজহার উদ্দিন অমিও নিয়মিতভাবে ম্যাচ বিশ্লেষণে অংশ নেবেন।
আন্তর্জাতিক ধারাভাষ্য প্যানেলও এবার বেশ সমৃদ্ধ। নিউজিল্যান্ডের ড্যানি মরিসন তার প্রাণচঞ্চল উপস্থাপনা দিয়ে বিপিএলের ম্যাচগুলোতে বাড়তি গতি যোগ করবেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার স্যামুয়েল বদ্রি মাঠের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্লেষণ তুলে ধরবেন।
পাকিস্তানের দুই কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিস ও রমিজ রাজা থাকছেন একই প্যানেলে। রমিজ রাজা আগে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেও ওয়াকার ইউনিসের জন্য এটি প্রথম অভিজ্ঞতা। তবে বিপিএলের সঙ্গে তাঁর পরিচয় একেবারে নতুন নয়; কোচ হিসেবে তিনি আগেও এই টুর্নামেন্টে কাজ করেছেন।
এছাড়া শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার ফারভিজ মাহরুফ ও অস্ট্রেলিয়ার জেমি কক্স ধারাভাষ্য প্যানেলে যুক্ত হয়ে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা যোগ করবেন। বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট সংস্কৃতি ও বিশ্লেষণ একসঙ্গে পাওয়া যাবে বিপিএলের সম্প্রচারে।
মাঠের বাইরের উপস্থাপনাতেও থাকছে পরিচিত মুখ। এবারের বিপিএলের হোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পাকিস্তানের জয়নব আব্বাস ও ভারতের রিদিমা পাঠক। জয়নব আব্বাস শুধু উপস্থাপনাই নয়, ধারাভাষ্যকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন, ফলে সম্প্রচারে থাকবে ভিন্নমাত্রিক উপস্থাপনা।










Discussion about this post