বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সূচিতে এবার বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে আয়োজকরা। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ সবসময় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলেও এবার বদলে গেছে সেই প্রচলিত ধারা। দ্বাদশ আসরের পর্দা উঠবে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে, যা বিসিবির মঙ্গলবার ঘোষিত সূচিতেই নিশ্চিত হয়েছে।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেট টাইটান্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মুখোমুখি লড়াই দিয়ে শুরু হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজনে। প্রায় এক মাসব্যাপী চলা এই আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২৩ জানুয়ারি।
ছয় দল নিয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টে প্রাথমিক পর্বে মোট ৩০টি ম্যাচ এবং প্লে-অফ ও ফাইনাল মিলিয়ে মোট ৩৪টি ম্যাচ মাঠে গড়াবে। প্রাথমিক পর্বে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ হবে, তবে প্রতি দুই দিন পর রাখা হয়েছে বিশ্রামের দিন। শুধু ঢাকার তিন ম্যাচের ক্ষেত্রে সেই বিরতি থাকবে না। দিনের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে বেলা ১টায় এবং দ্বিতীয়টি সন্ধ্যা ৬টায়। শুক্রবারের ম্যাচগুলো শুরু হবে যথাক্রমে দুপুর ২টা ও সন্ধ্যা ৭টায়।
ঢাকার বাইরে বেশি ম্যাচ আয়োজনের পেছনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির চিন্তা কাজ করেছে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। মিরপুরের স্পিন সহায়ক উইকেটে ব্যাটসম্যানদের রান তুলতে যে ভোগান্তি হয়, তা বিবেচনায় রেখে সিলেট ও চট্টগ্রামের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটগুলোতে বেশি ম্যাচ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সিলেট পর্বে প্রথম ছয় দিনের ম্যাচ শেষে ৫ জানুয়ারি শুরু হবে চট্টগ্রাম পর্ব। এখানেও ছয় দিন ধরে মাঠে গড়াবে ম্যাচগুলো। এরপর ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে ঢাকা পর্ব, যেখানে অনুষ্ঠিত হবে প্রাথমিক পর্বের শেষ ছয় ম্যাচ।
১৯ জানুয়ারি শুরু হবে প্লে-অফ পর্ব। সেদিনই দুপুর ১টায় এলিমিনেটর এবং সন্ধ্যা ৬টায় প্রথম কোয়ালিফায়ার অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার হবে ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যায়। প্লে-অফ ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে একদিন করে রিজার্ভ ডে, যাতে আবহাওয়ার কারণে ব্যাঘাত ঘটলেও ম্যাচ আয়োজন নিশ্চিত করা যায়।










Discussion about this post