গত ২৪ মার্চ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ার পর থেকে আর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে দেখা যায়নি তামিম ইকবালকে। মাঠে না থাকলেও গত আট মাস ধরে নানা কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি-খেলোয়াড়ি ভবিষ্যৎ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিভিন্ন পোস্ট, এবং ক্লাব-সংগঠকদের সঙ্গে যুক্ত থাকা নিয়ে বারবার এসেছে তার নাম।
এদিকে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ১১ ডিসেম্বর থেকে লিগ শুরুর ঘোষণা দেন। কিন্তু সেই ঘোষণা ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও প্রকট হলো আজ ঢাকার ৪৪ ক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে। তারা পুনরায় স্পষ্ট জানিয়ে দিল যে বর্তমান বোর্ডের অধীনে কোনো লিগেই অংশ নেবে না তারা।
বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে ‘অযোগ্য ও বিতর্কিত’ অভিহিত করে ক্লাবগুলোর এ অবস্থানের মধ্যেই আজ বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘরের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আগের সংবাদ সম্মেলনের মতো তামিম ইকবাল এবার উপস্থিত ছিলেন না। তবে তামিমের অনুপস্থিতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলেননি মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক ও ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান। তিনি পরিষ্কারভাবেই জানালেন, তামিম দু’পক্ষেই যুক্ত থাকতে পারেন এবং সেখানে কোনো অন্যায় নেই।
মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘তামিম ইকবাল আমাদের সঙ্গে আছে। আবার খেলোয়াড়দের সঙ্গেও আছে। যেহেতু সে এখনো অবসর নেয়নি, তাই তার নিজস্ব একটা অবস্থান আছে। থাকতেই পারে। এমন তো না, কোনো অন্যায় করছে। যদি আমরা এটাকে সমর্থন দিতাম না, তার বিরুদ্ধে থাকতাম.. বিষয়টা হলো সে অন্যায় করছে না।’
তামিমের অবস্থানকে স্বাভাবিক বললেও লিগ বর্জনের সিদ্ধান্তে তারা অনড়, এ কথাও স্পষ্ট করেন মাসুদুজ্জামান, ‘নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকছি। লিগে না অংশ নেওয়ার ব্যাপারে যে কথা বলেছিলাম, সেখানেই আছি। ৪৫ ক্লাবের সঙ্গে মোহামেডান সব সময় আছে এবং থাকবে। আমরা যেমন এই বোর্ডকে অবৈধ বলছি, তেমনি তামিমও অবৈধ বলছে।’
এ বছরের ১০ জানুয়ারি তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমে। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তার অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। ২০২৬ বিপিএলে তিনি খেলবেন না, আর এবারের বিপিএলে নেই তার নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ফরচুন বরিশালও। আগামী ২৬ ডিসেম্বর সিলেটে শুরু হচ্ছে বিপিএলের ১২তম আসর, আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরে ২৩ জানুয়ারি।










Discussion about this post