পাকিস্তান সুপার লিগে আবারও আলো ছড়ালেন বাংলাদেশের দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। পেশোয়ার জালমির জার্সিতে মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ২৪ রানের জয়ে তাদের সংযত ও কার্যকর বোলিং বড় ভূমিকা রেখেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অনুরোধে নির্ধারিত সময়ের একদিন বেশি থেকে খেলা এই ম্যাচেই তারা প্রমাণ করলেন, দলের আস্থা বৃথা যায়নি।
ম্যাচে নাহিদ রানা ছিলেন চোখে পড়ার মতো। চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ডেথ ওভারে তার গতি ও নিখুঁত লাইন-লেন্থ মুলতানের সম্ভাবনা শেষ করে দেয়। ১৪৭ কিলোমিটার গতির বোলিংয়ে শেষের দুই ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলেন তিনি। শরিফুল ইসলাম উইকেট না পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৭ রান খরচ করে দলের জয়ে অবদান রাখেন।
এর আগে ব্যাট হাতে পেশোয়ার জালমি তোলে ৬ উইকেটে ১৯৬ রান। কুশল মেন্ডিস ৪০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন, আর মোহাম্মদ হারিস ১৭ বলে ৩৮ রান করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন। জবাবে মুলতান সুলতান্স ৮ উইকেটে ১৭২ রানে থেমে যায়। শান মাসুদের ৩৫ রানের ইনিংসও দলকে জয়ের পথে ফেরাতে পারেনি। বল হাতে পেশোয়ারের হয়ে তিন উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম।
চলতি আসরে নাহিদ রানার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাকে আলাদা করে তুলছে। চার ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়া এই পেসার ইকোনমিও ধরে রেখেছেন ৫.৪২। শরিফুল ইসলামও নিয়মিত একাদশে সুযোগ পেয়ে অবদান রাখছেন, যদিও উইকেটসংখ্যা তুলনামূলক কম।
এই জয়ে ছয় ম্যাচে অপরাজিত থেকে ১১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে পেশোয়ার জালমি। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মুলতান সুলতান্স।
এদিকে ম্যাচ শেষেই দেশের পথে রওনা হচ্ছেন শরিফুল ও নাহিদ। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজ সামনে রেখে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন তারা। বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিজেদের প্রমাণ করে এবার জাতীয় দলের দায়িত্বেই মনোযোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের এই দুই পেসার।










Discussion about this post