মাঠে প্রতিটি বল ছোড়া, প্রতিটি রান তোলা আর প্রতিটি জয়ের পেছনে থাকে নিঃশব্দ পরিশ্রম, ঘাম, আর অনুশীলনের ক্লান্তিহীন গল্প। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররাও সেই গল্পেরই অংশ, যাদের সাফল্যে এখন উচ্ছ্বাসে ভরেছে দেশ, কিন্তু তাদের প্রাপ্য মর্যাদা পাওয়া হয়নি অনেকদিন। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটালেন নারী ক্রিকেট বিভাগের নতুন পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক।
দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, নারী ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো হবে। গতকাল বিসিবির সভায় সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ পেল। নতুন কাঠামো অনুযায়ী নারী ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ বেতন দাঁড়াল ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা, আর সর্বনিম্ন ৮০ হাজার। কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ১৫ জন ক্রিকেটারকে চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে—‘এ’ থেকে ‘ডি’ পর্যন্ত। এবং সিদ্ধান্তটি কার্যকর হবে জুলাই ২০২৫ থেকে, যা চলবে আগামী বছরের জুন পর্যন্ত।
এই কাঠামো শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, এটি স্বপ্নের ওজন। নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও শারমিন আক্তার সুপ্তা আছেন ‘এ’ ক্যাটাগরিতে, যারা পাবেন সর্বোচ্চ বেতন। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ফারজানা হক পিংকি, রিতু মনি, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান ও সোবহানা মোস্তারি। একমাত্র ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন স্বর্ণা আক্তার, আর ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে পাঁচজন-সুমাইয়া, তৃষ্ণা, ঝিলিক, মেঘলা ও নিশি।
চুক্তির বাইরেও যারা জাতীয় দলে সুযোগ পাবেন, তারাও মাসে ৬০ হাজার টাকা করে পাবেন। অধিনায়কের জন্য বাড়তি ৩০ হাজার, সহ-অধিনায়কের জন্য ২০ হাজার টাকার প্রণোদনাও যোগ হচ্ছে।
ক্যাটাগরি
‘এ’ ক্যাটাগরি: নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও শারমিন আক্তার সুপ্তা।
‘বি’ ক্যাটাগরি: ফারজানা হক পিংকি, রিতু মনি, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান ও সোবহানা মোস্তারি।
‘সি’ ক্যাটাগরি: স্বর্ণা আক্তার।
‘ডি’ ক্যাটাগরি: সুমাইয়া আক্তার, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক, সানজিদা আক্তার মেঘলা ও নিশিতা আক্তার নিশি।










Discussion about this post