দীর্ঘ টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তার পর অবশেষে আলো দেখা যাচ্ছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসর ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল)। সময়সূচি পেছানো এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এবার লিগ আয়োজন নিয়ে ভিন্নধর্মী চিন্তা করতে হচ্ছে আয়োজকদের। সেই বাস্তবতা থেকেই এক দিনে পুরো রাউন্ডের সব ম্যাচ আয়োজনের মতো ব্যতিক্রমী প্রস্তাব উঠে এসেছে আলোচনায়।
লিগ আয়োজন নিয়ে দেরি হওয়ায় ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। সেখানে সময় সংকট কাটাতে এক দিনে ছয়টি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থাৎ একটি পূর্ণ রাউন্ডের সব ম্যাচ একই দিনে শেষ করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির সদস্য মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
বর্তমান অ্যাডহক কমিটির অধীনে খেলতে ক্লাবগুলো সম্মতি দেওয়ায় ডিপিএল আয়োজনের পথ সহজ হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি এপ্রিলের শেষ অথবা মে মাসের শুরুতে মাঠে গড়াতে পারে নতুন মৌসুম। তবে সময় স্বল্পতার কারণে এবারের আসরে সুপার লিগ পর্ব রাখা হচ্ছে না।
মাঠ ও আয়োজনের মান ঠিক রেখে এক দিনে এতগুলো ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। এ বিষয়ে নান্নু বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘সবার আলোচনার মাধ্যমেই এই সিদ্ধান্ত (এক দিনে ৬ ম্যাচ) নেওয়া হয়েছে। এখন জরুরি মাঠের স্ট্যান্ডার্ডটা কীভাবে আমরা নিশ্চিত করতে পারব। আমাদের একটা টিম কাজ করছে এটা নিয়ে। তারা আগামীকাল রিপোর্ট দিবে। তখনই সিদ্ধান্ত নিবে কীভাবে আগাব। এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ সাথে প্লাস পয়েন্ট হবে যদি এক দিনে ৬টা ম্যাচ করা যায়। এটা অনেক ইতিবাচক দিক। যদি করতে পারি, আগামী দিনে ডমেস্টিক ক্রিকেট আরও ভালোভাবে পরিচালনা করার জন্য সহায়ক হবে।’
লিগ শুরুর সম্ভাব্য সময় নিয়েও তিনি স্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন। নান্নুর ভাষায়, ‘ক্লাবদের সাথে কথাবার্তা চূড়ান্ত বিবেচনায় আছে। কালকে চূড়ান্ত করব, আপডেট পাবেন। চেষ্টা করছি এ মাসের শেষে বা আগামী মাসের শুরুতে করার।’
অবনমন থাকবে কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তথ্য আছে বাট অফিশিয়ালি জানানো হবে। এটার জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে। সবার সাথে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সম্ভাব্য সেরা সিদ্ধান্তটাই নেওয়া হবে। এই বিষয়টির জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে।’
এতদিন আমিনুল ইসলাম বুলবুলেরবোর্ডকে ‘অবৈধ’ দাবি করে লিগ বর্জন করে আসা ঢাকার বিদ্রোহী ক্লাবগুলোও এবার অংশ নিতে রাজি হয়েছে। ফলে সব পক্ষের সমন্বয়ে ডিপিএল আয়োজনের জট অনেকটাই কাটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।










Discussion about this post