নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে দুঃস্বপ্নের মতো শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংস। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। এরপর দলীয় ৯ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। কিছুটা আশা জাগিয়েও ৩২ রানে আউট হন সৌম্য সরকার। মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তখন চাপে, আর নিউজিল্যান্ড ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।
কঠিন সেই পরিস্থিতিতে আজ দলের হাল ধরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন কুমার দাস। দুজনের সংযত ও পরিণত ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। চতুর্থ উইকেটে তারা গড়ে তোলেন ১৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি, যা ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
লিটন দাস দীর্ঘদিন পর ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন এই ম্যাচে। আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে ৯১ বলে ৭৬ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল একটি ছক্কা ও তিনটি চার। ওয়ানডেতে ১৯ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পান লিটন। এর আগে সর্বশেষ অর্ধশতক এসেছিল ২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে।
অন্যদিকে শান্ত ছিলেন আরও দৃঢ়। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১১৪ বলে তুলে নেন নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি শুধু ইনিংস গড়েননি, দলকে বড় সংগ্রহের পথেও এগিয়ে নিয়েছেন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২০৮ রান। শান্ত তখনও উইকেটে থেকে ইনিংস বড় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী লড়াই। আগের দুই ম্যাচ শেষে দুই দলই একটি করে জয় পাওয়ায় এ ম্যাচই ঠিক করবে ট্রফির গন্তব্য। ফলে মাঠের উত্তেজনাও ছিল বাড়তি।
বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন আনা হয়। তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেনের জায়গায় সুযোগ পান মুস্তাফিজুর রহমান এবং তানভীর ইসলাম।










Discussion about this post