নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলগতভাবে জয় না পেলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে দারুণ ছাপ রেখেছেন তাওহীদ হৃদয়। তিন ম্যাচের এই সিরিজে একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হলেও বাকি দুই ম্যাচে ধারাবাহিক ব্যাটিং করে তিনি জিতেছেন সিরিজসেরার পুরস্কার। সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে এই মিডলঅর্ডার ব্যাটারের। দুই ধাপ এগিয়ে ৫৫৯ রেটিং নিয়ে বর্তমানে তিনি অবস্থান করছেন ৩৭ নম্বরে।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন হৃদয়। ২৭ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে ৬ উইকেটের জয় এনে দেন তিনি। ওই ম্যাচে চতুর্থ উইকেটে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে ৫৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ইমন আউট হওয়ার পরও থামেননি হৃদয়, বরং পঞ্চম উইকেটে শামীম হোসেন পাটোয়ারীর সঙ্গে আরও ৪৯ রান যোগ করে জয় নিশ্চিত করেন। শেষ ম্যাচেও ২৪ বলে ৩৩ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি, যদিও সেই ম্যাচে ৬ উইকেটের জয় পায় নিউজিল্যান্ড এবং সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।
এই সিরিজে ব্যাট হাতে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের কারণে মোট ৮৪ রান করে সিরিজসেরা হন হৃদয়। তার এই সাফল্যের প্রভাব সরাসরি পড়েছে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে। একই তালিকায় উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাসও। চট্টগ্রাম ও মিরপুরে যথাক্রমে ২১ ও ২৬ রানের ইনিংস খেলে এক ধাপ এগিয়ে তিনি এখন ৫২তম স্থানে অবস্থান করছেন। তবে অন্যদিকে অবনতি হয়েছে পারভেজ হোসেন ইমনের, যিনি পাঁচ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৪৬ নম্বরে।
বল হাতেও এই সিরিজে উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। শরিফুল ইসলাম নয় ধাপ এগিয়ে ৫৪তম স্থানে উঠে এসেছেন বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে। এছাড়া শেখ মেহেদিও এক ধাপ উন্নতি করে এখন ১৭তম স্থানে আছেন। তবে বিশ্রামে থাকা মোস্তাফিজুর রহমান এক ধাপ পিছিয়ে ১২তম স্থানে নেমে গেছেন।
নিউজিল্যান্ড দলের বোলারদের মধ্যেও র্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন এসেছে। বেন সিয়ার্স ও ইশ সোধি দুজনই উন্নতি করেছেন, যেখানে কিউই বোলারদের মধ্যে সবার উপরে অবস্থান করছেন সোধি।









Discussion about this post