ঈদ মানেই পরিবার, শিকড় আর স্মৃতির টান, এই চিরচেনা অনুভূতিকেই যেন নতুন করে ছুঁয়ে দেখলেন তাসকিন আহমেদ। আর সেই আবেগের সঙ্গে যুক্ত হলো সন্তানের ছোট্ট বড় অর্জনের গর্ব।
শিকড়ের টানে জাকির হোসেন মাঠে ঈদের নামাজ তাসকিনের
ঈদে কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসার গল্প শোনালেন তাসকিন আহমেদ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনটি পরিবারের সঙ্গে ঘিরেই কাটালেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার তাসকিন আহমেদ। রাজধানীর জাকির হোসেন রোড মাঠে বাবা ও ছেলে তাসফিনকে সঙ্গে নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন তিনি। দীর্ঘদিনের পরিচিত সেই মাঠেই ফিরে গিয়ে যেন শৈশবের দিনগুলো আবারও নতুন করে অনুভব করলেন এই ক্রিকেটার।
নিজের বেড়ে ওঠার জায়গার সঙ্গে ঈদের দিনের এই মিলনকে বিশেষভাবে দেখছেন তাসকিন। শৈশবের স্মৃতির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জন্ম এখানে, বড় হয়েছিও এখানে। এই জাকির হোসেন মাঠে আমি প্রথম বল হাতে নিই এবং খেলা শিখি। এলাকাবাসী সবাই অনেক ভালোবাসেন, এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এসব স্মৃতি অন্যরকম।’
এবারের ঈদে তার ব্যক্তিগত আনন্দের বড় একটি জায়গা দখল করে আছে ছেলে তাসফিনের রোজা রাখা। মাত্র ছয় বছর বয়সে পুরো রমজানজুড়ে রোজা রাখার চেষ্টা তাকে গর্বিত করেছে। বিষয়টি তুলে ধরে তাসকিন বলেন, ‘বাবা হিসেবে এটা অনেক গর্বের বিষয়। আমি ওকে প্রায়ই বলছি তুমি টানা ৩০টা রোজা রেখো না, আল্লাহ অবশ্যই তোমাকে কনসিডার করবে তুমি অনেক ছোট। তবে সে ৩০টাই রাখছে। কেউ ডেকে দিবে না এই ভয়ে সেহরির আগে ঘুমাত না।’
ঈদের নামাজের পর আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেখা হওয়াকে তিনি বিশেষ এক অনুভূতি হিসেবে দেখেন। এই মিলনমেলার আবেগ প্রকাশ করে তাসকিন বলেন, ‘ঈদের নামাজের পর মুরব্বি, বড় ভাই, ছোট ভাই সবার সঙ্গে দেখা হয়– এটা আসলে স্পেশাল। আলহামদুলিল্লাহ আমি, আমার বাবা ও ছেলে এবং আরও অনেক মুরব্বী একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে পেরেছি। আল্লাহ তৌফিক দিয়েছে আবারও ঈদের নামাজ আদায় করার। খুব ভালো লাগছে।’
ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে দেশবাসীর জন্য শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেছেন তিনি। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাসকিন বলেন, ‘আগামী ঈদে কে থাকবে না থাকবে কার কখন কী হয়…দেশে আগের তুলনায় সব শান্তিপূর্ণ হোক এই কামনা করি। আমাদের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই, আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুক। সবাই অনেক উপভোগ করুক কারণ এই মুহূর্তগুলো অনেক স্পেশাল।’










Discussion about this post