চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে এবারই বিদেশি ক্রিকেটারের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বড় নামের অভাবের মধ্যেই এবার নতুন করে চাপে পড়তে যাচ্ছে টুর্নামেন্টটি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড যে দল ঘোষণা করেছে, তাতে বিপিএলে খেলা সাতজন ক্রিকেটারের নাম থাকায় লিগের মাঝপথে বড় পরিবর্তনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৭ জানুয়ারি ডাম্বুলায় শুরু হবে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজ, যা শেষ হবে ১১ জানুয়ারি। এই সিরিজের দলে প্রথমবার ডাক পেয়েছেন তরুণ ওপেনার খাজা নাফি। বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলতে থাকা এই ব্যাটসম্যানের সঙ্গে একই দলে থাকা অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফও জাতীয় দলের অংশ হচ্ছেন। ফলে রংপুর রাইডার্সকে একসঙ্গে দুই গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার ছাড়তে হতে পারে।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান এবং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নেওয়াজ পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি পরিকল্পনায় পরিচিত নাম। শ্রীলঙ্কা সিরিজেও তাদের ওপর ভরসা রেখেছে পিসিবি, যার প্রভাব পড়বে রাজশাহীর দল গঠনে। অন্যদিকে ঢাকা ক্যাপিটালস থেকেও জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন দুজন ক্রিকেটার। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান উসমান খান এবং পেসার সালমান মির্জা শ্রীলঙ্কা সফরে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। সিলেট টাইটানসের হয়ে খেলা ওপেনার সাইম আইয়ুবও একই কারণে বিপিএল ছাড়তে যাচ্ছেন।
এই স্কোয়াড ঘোষণায় আরেকটি দিক বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। বিপিএলে খেলা ক্রিকেটারদের সুযোগ দিলেও বিগ ব্যাশ লিগে ব্যস্ত থাকা বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও হাসান আলীদের এই সিরিজে রাখেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছেন শাদাব খান। সিডনি থান্ডারের হয়ে বিগ ব্যাশে খেলার মধ্য দিয়েই কাঁধের চোট কাটিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরেছেন তিনি। সর্বশেষ জুনে পাকিস্তানের জার্সিতে দেখা গিয়েছিল এই অলরাউন্ডারকে।
১২তম বিপিএলের পর্দা নামবে ২৩ জানুয়ারি। তার আগেই শেষ হয়ে যাবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ৭, ৯ ও ১১ জানুয়ারি-ডাম্বুলাতেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের সবগুলো ম্যাচ।










Discussion about this post