লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) একদিনেই দেখা মিলল দুই ভিন্ন চিত্রের। একদিকে সুযোগ পেয়েও ব্যাট হাতে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজ, অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান ও সাকিব আল হাসান নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের স্বস্তির কারণ হয়েছেন।
গল টাইটানসের হয়ে এক ম্যাচ পর একাদশে ফিরেছিলেন মিরাজ। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। ক্যান্ডির বিপক্ষে মাত্র ৫ বল খেলে ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তার ব্যর্থতায় শুরুতে হতাশা তৈরি হলেও দিনের বাকি ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স সেই আক্ষেপ অনেকটাই ভুলিয়ে দিয়েছে।
জাফনা কিংসের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাওহীদ হৃদয়। ক্যান্ডির বিপক্ষে তিন নম্বরে নেমে ২১ বলে ৩৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন এই ডানহাতি ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ১টি ছক্কা। কামিল মিশারার ৭৮ ও আভিস্কা ফার্নান্দোর ৬৬ রানের সঙ্গে হৃদয়ের ইনিংসও জাফনাকে ১৯৯ রানের শক্ত ভিত গড়ে দিতে সহায়তা করে।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ক্যান্ডি মাত্র ১০৬ রানেই গুটিয়ে যায়। বল হাতে সাকিব আল হাসান ছিলেন যথারীতি নিয়ন্ত্রিত। তিন ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে একটি উইকেট তুলে নেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। তার মিতব্যয়ী বোলিংও জাফনার ৯৩ রানের বড় জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দিনের আরেক ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন নুরুল হাসান সোহান। ডাম্বুলা থান্ডার্সের বিপক্ষে গলের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন তিনি। মাত্র ১৩ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৯ রান করেন সোহান। দুশমন্ত চামিরার বলে গুলবাদিন নাইবের হাতে ধরা পড়ার আগে তার ঝোড়ো ইনিংস গলকে দারুণ একটি সূচনা এনে দেয়, যার ভিত্তিতেই বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় দলটি।
মিরাজের ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হলেও দিনের শেষে আলোটা ছিল অন্য বাংলাদেশিদের দখলে।










Discussion about this post