জাতীয় দলের ড্রেসিংরুম থেকে এবার হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের দায়িত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন এই অভিজ্ঞ কোচ। সেখানে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং ও যুক্তরাষ্ট্র ‘এ’ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে এইচপির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তবে নতুন ভূমিকায় গেলেও জাতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ আগের মতোই থাকবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন।
২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন সালাহউদ্দিন। বিসিবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। সম্প্রতি তাকে হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের প্রস্তুত করার কাজেই বেশি সময় দেবেন তিনি।
দেশ ছাড়ার আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাতীয় দলের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমার জাতীয় দলের সাথে যোগাযোগ থাকবে। এমন না যে আমি একেবারেই ওদিক থেকে আলাদা। কারণ এই ছেলেগুলোর সাথে আমাদের একটা সংযোগ থাকবে।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘ভালো একটা যোগাযোগ থাকবে। জাতীয় দলে যারা সাদা বল, লাল বল আছে, তাদের তো কিছু আমাদেরই করাতে হবে। তো আমাদের একটা যোগাযোগ সবসময় থাকবে। আমি কখনো নিজেকে মনে করি না যে আমি জাতীয় দলের বাইরে আছি।’
সালাহউদ্দিনের মতে, তিনি কোন দলের দায়িত্বে আছেন, সেটি বড় বিষয় নয়; বরং দেশের ক্রিকেটের জন্য খেলোয়াড় তৈরি করাটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই এইচপি দলের ফলাফলের চেয়ে ক্রিকেটারদের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মান সম্পর্কে বাস্তব ধারণা অর্জনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
এইচপি ইউনিটের পরিকল্পনা নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এটা এইচপি টিম, তাদেরকে নিয়ে আমাদের অনেক ভবিষ্যতে অনেক বড় পরিকল্পনা আছে। যেহেতু আমাদের দুইটা এইচপি টিম এবার বাইরে যাচ্ছে একটা অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে, একটা সাউথ আফ্রিকাতে যাচ্ছে। তো এটা ছেলেদের জন্য একটা বড় সুযোগ। তারা বুঝতে পারবে তারা আসলে কোথায় আছে, হ্যাঁ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কোন অবস্থানে আছে।’










Discussion about this post