বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে আবারও দেখা দিয়েছে আইনি জটিলতা। সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত এক চিঠিকে কেন্দ্র করে চার প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করলে সোমবার বিকেলে আদালত গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেন।
শুনানি শেষে হাইকোর্ট উক্ত চিঠির কার্যকারিতা ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করেন এবং বিসিবিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রিটের জবাব দিতে নির্দেশ দেন। ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অ্যাডহক কমিটির বাধ্যবাধকতা আপাতত কার্যকর থাকছে না।
১৮ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়েছিল, কাউন্সিলর মনোনয়নে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন আবশ্যক। তবে রিটকারীরা গঠনতন্ত্রের ৯ অনুচ্ছেদ তুলে ধরে আদালতকে জানান, এ ধরনের বাধ্যবাধকতা সংবিধানে নেই।
আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আদালতের সিদ্ধান্তে খসড়া ভোটার তালিকায় আগের কাউন্সিলরদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এতে নির্বাচনের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে না।’
আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বিসিবির নির্বাচন। জেলা ও বিভাগীয় সংস্থাগুলো থেকে জমা পড়েছে কাউন্সিলরদের ফরম। কিন্তু অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন না থাকায় কিছু জেলার আবেদন বাতিল করেন সভাপতি বুলবুল। এ ছাড়া তিনি নিজেই স্বাক্ষর দিয়ে নতুন নির্দেশনা দেন, যা নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে।
নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সভাপতি নির্বাচনী প্রক্রিয়া জানেন না বলেও দাবি করেছেন। অথচ তিনিই এমন চিঠি সই করেছেন, যেখানে পুরোনো কাউন্সিলরদের বাদ দিয়ে নতুন করে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সভাপতি এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেন না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কাউন্সিলর মনোনয়নের সময়সীমা দু’বার বাড়ানো হলেও দ্বিতীয়বারের সিদ্ধান্ত সভাপতির একক উদ্যোগে হয়েছে।










Discussion about this post