বাকি দুই ফরম্যাট থেকে অবসর নিলেও টেস্ট ক্রিকেটে এখনো সমান উজ্জ্বল মুশফিকুর রহিম। লাল বলের ক্রিকেটে নিজের অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতার প্রমাণ দিয়ে চলেছেন এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব্যাটার। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন তিনি। সিলেটে দ্বিতীয় ইনিংসে আজ দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের আরেকটি সেঞ্চুরি।
১৭৮ বল মোকাবিলা করে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছান মুশফিক। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছক্কার মার। ধৈর্য ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিংয়ে দলের রান সংগ্রহকে বড় করেছেন তিনি। ৮৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩২৫ রান। এতে সব মিলিয়ে টাইগারদের লিড পৌঁছেছে ৩৭১ রানে।
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায়ও নতুন ইতিহাস যোগ করেছেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৬ হাজার রান পূর্ণ করেছেন তিনি। দেশের আর কোনো ক্রিকেটার এখন পর্যন্ত এই মাইলফলকে পৌঁছাতে পারেননি।
এছাড়া টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডও এখন মুশফিকের দখলে। মুমিনুল হককে ছাড়িয়ে তার টেস্ট সেঞ্চুরির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪-তে। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে চার মেরে শতক পূর্ণ করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের ক্লাবে বিশ্বের ৩৪তম ক্রিকেটার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন মুশফিক। তিন সংস্করণ মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৪ হাজার ৩৫৭ রান করেছেন ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা বিরাট কোহলি ও কুমার সাঙ্গাকারার রান যথাক্রমে ২৮ হাজার ২১৫ এবং ২৮ হাজার ১৬।
বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে মুশফিকের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল। ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তামিম করেছেন ১৫ হাজার ২৪৯ রান। তবে এবার সেই অর্জনকে ছাড়িয়ে দেশের ক্রিকেটে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম।









Discussion about this post