আসছে জুনে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার সিরিজটি হবে সীমিত ওভারের। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে শুরু হবে সফর। এরপর অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে দিনের আলোয়, ঠিক যেমনটি হয়েছিল সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গত এপ্রিল-মে মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের ম্যাচগুলোও দিনের বেলায় আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সিরিজে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ভাগাভাগি করে আয়োজন করা হয় মিরপুর ও চট্টগ্রামে। এবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও একই সূচি ও সময়সূচি অনুসরণ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরে। ম্যাচগুলো শুরু হবে সকাল ১১টায়। প্রথম ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৯ জুন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১১ ও ১৪ জুন।
এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দুই দল যাবে চট্টগ্রামে। তিন ম্যাচের এই সিরিজ শুরু হবে ১৭ জুন। পরের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৯ ও ২১ জুন। টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলো শুরু হবে বেলা ২টায়।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সিরিজ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণও বটে। কারণ, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত রাখার চ্যালেঞ্জ রয়েছে টাইগারদের সামনে। বর্তমানে ৮৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের নবম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েও অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি। অন্যদিকে ১১৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ভারত। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার রেটিং পয়েন্ট যথাক্রমে ১১৩ ও ১০৯।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ নয়টি দল সরাসরি জায়গা পাবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই সিরিজ বাংলাদেশের জন্য বড় পরীক্ষা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের সূচিও ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। ৯, ১১ ও ১৪ জুন মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। এরপর ১৭, ১৯ ও ২১ জুন চট্টগ্রামে হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের আবহে জুন মাসটি বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য হতে যাচ্ছে ব্যস্ত ও রোমাঞ্চকর এক সময়।









Discussion about this post