জিম্বাবুয়ে সফরে এখন পর্যন্ত একেবারেই ছন্দ খুঁজে পায়নি বাংলাদেশ। হারারে টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও ১৪২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৫ রানের হার দেখেছে টাইগাররা। এমন পরিস্থিতিতে সামনে থাকা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজকে ঘিরে বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। এই ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের জনপ্রিয় ক্রীড়া চ্যানেল টি-স্পোর্টস এবং টি-স্পোর্টস অ্যাপ।
এই সিরিজের জন্য প্রায় বিশ্বকাপের সফল দলটিকেই ধরে রেখেছে জিম্বাবুয়ে। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। তার সঙ্গে রয়েছেন ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, ব্র্যাড ইভান্স, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও রিচার্ড এনগারাভার মতো নিয়মিত পারফর্মাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আলোড়ন তোলা দল থেকে বড় কোনো পরিবর্তন না আনায় নিজেদের শক্তির ধারাবাহিকতাই ধরে রাখতে চাইছে জিম্বাবুয়ে।
স্কোয়াডে নতুন মুখ হিসেবে জায়গা পেয়েছেন তরুণ পেসার নিউম্যান নিয়ামহুরি। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাওয়া এই পেসারের পাশাপাশি আছেন বেন কারান, যিনি ইংল্যান্ডের কারান পরিবারের সদস্য। নিয়ামহুরি ও কারান দুজনই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের অপেক্ষায়। দীর্ঘ চার বছর পর দলে ফিরেছেন মিল্টন শুম্বাও।
জিম্বাবুয়ের প্রধান নির্বাচক ডেভিড মুটেন্ডেরা জানিয়েছেন, বিশ্বকাপে যে দলটি নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে, সেই দলটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নতুনদেরও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তার বিশ্বাস, বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজ ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক আসরগুলোর প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ এই সিরিজে খেলবে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস ও অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদকে ছাড়াই। দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাওহীদ হৃদয়কে। জয়হীন সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ে : সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাদান্দে, টিনোটেন্ডা মাপোসা, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিওন মেয়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিয়ামহুরি ও মিল্টন শুম্বা।
বাংলাদেশ : তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরি, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।









Discussion about this post