জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেছে। ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানেই থেমে যায় টাইগাররা। ম্যাচ শেষে ব্যাটারদের কৌশলগত দুর্বলতা ও একই ভুল বারবার করার প্রবণতাকেই পরাজয়ের প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
হারের পর নিজের মূল্যায়নে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রতিটি ম্যাচই জেতার জন্য মাঠে নামি। তবে আমাদের ব্যাটারদের নির্দিষ্ট কয়েকজন বোলারের বিপক্ষে আরও কৌশলী হতে হবে। তাহলেই আমরা ভালো করতে পারব। কিন্তু আমরা নিয়মিত একই ভুল করে যাচ্ছি। এর মানে, আমরা ভুল করেও শিক্ষা নিচ্ছি না। পরিস্থিতির সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নিতেই হবে।’
জিম্বাবুয়ে সফরে দীর্ঘ সময় কাটানোর পরও কন্ডিশনের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে না পারার বিষয়টিও ভালোভাবে দেখছেন না এই কোচ। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০-২৫ দিন এখানে আছি। কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জরুরি। যদি এখনও বলা হয় আমরা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছি না, তাহলে সেটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। ব্যাটারদের যত দ্রুত সম্ভব এই কন্ডিশনে অভ্যস্ত হতে হবে।’
বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের পেছনে জিম্বাবুয়ের দুই পেসার রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানির প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন সালাউদ্দিন। তার ভাষায়, ‘আমার মনে হয় টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ থেকেই আমরা এনগারাভা ও মুজারাবানিকে ভালোভাবে সামলাতে পারিনি। পুরো সফরজুড়েই ওরা পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ওদের কীভাবে সামলানো যায়, সে বিষয়ে আমাদের আরও ভালো পরিকল্পনা করতে হবে।’
আগামী ম্যাচের আগে এই দুই পেসারকে সামলানোর পরিকল্পনাকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের এই দুই বোলারের উচ্চতা অনেক বেশি। তাই যেকোনো উইকেট থেকেই তারা অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করতে পারে। পরের ম্যাচের আগে আমাদের মূল চিন্তার জায়গা হওয়া উচিত, কীভাবে এই দুজনকে সামলানো যায়। কারণ, প্রথম ম্যাচে ওরাই ৮টি উইকেট নিয়েছে।’
প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ এখন সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে ব্যাটারদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার বিকল্প দেখছেন না দলের কোচিং স্টাফ।










Discussion about this post