সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ওয়ানডে ফরম্যাটের বিসিএল। এবারের আসরে চার দলে ভাগ হয়ে খেলবেন বাংলাদেশ জাতীয় দলসহ সিনিয়র পর্যায়ের ক্রিকেটাররা। পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই টুর্নামেন্টকে লাল বলের পরিবর্তে ওয়ানডে ফরম্যাটে আয়োজন করেছে, যাতে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ও পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।
চার জোনের নেতৃত্বে থাকছেন জাতীয় দলের পরিচিত মুখরা। সাউথ জোনের অধিনায়কত্বে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, নর্থ জোনের নেতৃত্ব দেবেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ইস্ট জোনের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইয়াসির আলী চৌধুরী এবং সেন্ট্রাল জোনকে নেতৃত্ব দেবেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। জাতীয় দলের সঙ্গে নিয়মিত থাকা এই ক্রিকেটারদের নেতৃত্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিসিএল খেলতে শুক্রবার সব দলের ক্রিকেটাররা রাজশাহী ও বগুড়ায় পৌঁছেছেন। টুর্নামেন্ট ঘিরে ইতোমধ্যে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে। পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে খেলোয়াড়দের ফর্ম, মানসিক প্রস্তুতি এবং ম্যাচ পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলের সদস্যরাও সরাসরি মাঠে বসে খেলা পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এবং পেস বোলিং কোচ শন টেইট ইতোমধ্যে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। শনিবার টেইট মাঠে নেমে বোলারদের নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া সিনিয়র কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
চার জোনের কোচিং প্যানেলেও রয়েছেন অভিজ্ঞ কোচরা। নর্থ জোনের দায়িত্বে আছেন হান্নান সরকার এবং তারেক আজিজ খান। ইস্ট জোনে কোচিং করাবেন রাজিন সালেহ ও তালহা জুবায়ের। সাউথ জোনের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ আশরাফুল এবং সাইফুল ইসলাম খান। সেন্ট্রাল জোনকে কোচিং করাবেন মিজানুর রহমান বাবুল ও তুষার ইমরান।
বিসিএলে ৪ দলের স্কোয়াড :
ইষ্ট জোন : পারভেজ হোসেন ইমন, জাকির হাসান, অমিত হাসান, মমিনুল হক, ইয়াসির আলী রাবিব, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শাহাদাত হোসেন দিপু, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিব, খালেদ আহমেদ, নাসুম আহমেদ, নাঈম হাসান ও নাইম হাসান সাকিব।
নর্থ জোন : তানজিদ হাসান তামিম, হাবিবুর রহমান সোহান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, শেখ মেহেদী, এসএম মেহেরব হোসেন অহিন, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
সাউথ জোন : সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান হোসান, সামিউন বশির রাতুল, তানভির ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, রবিউল হক, রেজাউর রহমান রাজা, রুয়েল মিয়া ও স্বাধীন ইসলাম।
সেন্ট্রাল জোন : সাইফ হাসান, নাইম শেখ, জিসান আলম, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইরফান শুক্কুর, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, রাকিবুল হাসান, রিজান হোসেন, আবু হায়দার রনি, ইবাদত হোসেন, রিপন মণ্ডল, মারুফ মৃধা ও ওয়াসি সিদ্দিকী।










Discussion about this post