বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) দ্বিতীয় দিন ছিল মূলত ব্যাটারদের দখলে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে উত্তরাঞ্চলের হয়ে সেঞ্চুরি করেছেন প্রিতম কুমার ও অধিনায়ক আকবর আলী। অন্যদিকে শতকের খুব কাছে গিয়েও সেঞ্চুরি মিস করেছেন মধ্যাঞ্চলের আবু হায়দার রনি ও আশিকুর রহমান।
প্রথম দিনে দক্ষিণাঞ্চলকে ৩১৪ রানে অলআউট করার পর বিনা উইকেটে ১৬ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল উত্তরাঞ্চল। তবে দিনের শুরুতে ধাক্কা খেয়ে ৫৩ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারায় তারা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন প্রিতম কুমার ও আকবর আলী। দুজন মিলে গড়েন ২৩৩ রানের দুর্দান্ত চতুর্থ উইকেট জুটি।
আকবর আলী ১৫৮ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রান করে আউট হন। এটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। অধিনায়কের বিদায়ের পরও থামেননি প্রিতম। চারে নেমে ১৮৪ বলে অপরাজিত ১৫১ রান করে দিন শেষ করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। ইনিংসটিতে ছিল তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্কোরের রেকর্ডও। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১৪৩ রান। চলতি মৌসুমে এটি তার তৃতীয় শতক এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরি।
দিন শেষে উত্তরাঞ্চলের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩৭৯ রান। প্রথম ইনিংসে তারা এখন দক্ষিণাঞ্চলের চেয়ে ৬৫ রানে এগিয়ে।
অন্যদিকে পাশের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শতকের সম্ভাবনা জাগিয়েও হতাশ হয়েছেন আবু হায়দার রনি। আগের দিন ৯০ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটার দ্বিতীয় দিনে আর কোনো রান যোগ করতে পারেননি। টেস্ট দলের পেসার খালেদ আহমেদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে।
৭৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা আশিকুর রহমানও সেঞ্চুরির দেখা পাননি। তিনি ৮৬ রান করে ইবাদত হোসেনের শিকার হন। ৬ উইকেটে ২৭২ রান নিয়ে দিন শুরু করা মধ্যাঞ্চল শেষ পর্যন্ত অলআউট হয় ৩০৭ রানে। বল হাতে পূর্বাঞ্চলের হয়ে ইবাদত হোসেন ৫৪ রানে নেন ৪ উইকেট।
জবাব দিতে নেমে পূর্বাঞ্চলও দারুণ শুরু করেছে। দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৪৩ রান। উইকেটকিপার ব্যাটার অমিত হাসান ৮৮ রানে এবং সাবেক জাতীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন। ওপেনার মাহমুদুল হাসান করেছেন ৬৪ রান।









Discussion about this post