আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেট-সব জায়গাতেই নানা ধরনের বোলারের মুখোমুখি হয়েছেন পাকিস্তানের তরুণ অলরাউন্ডার সাদ মাসুদ। তবে তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার নাম। মাত্র পাঁচটি বল মোকাবেলা করেই এই অভিজ্ঞতা হয়েছে তার, যা তিনি বর্ণনা করেছেন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে।
পাক প্যাশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাদ মাসুদ জানিয়েছেন, নাহিদের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই আলাদা। গত ১৫ মার্চ মিরপুরে পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই এই পেসারের মুখোমুখি হন তিনি। রাওয়ালপিন্ডির এই ক্রিকেটার মনে করেন, নাহিদের গতি ও বাউন্স তাকে অন্য সব পেসারের তুলনায় আলাদা করে তুলেছে।
সাদ মাসুদ বলেন, ‘নাহিদ রানার মুখোমুখি হওয়াটা ছিল একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের এই গতিময় বোলারের রো পেইস ও বাউন্স অন্য বোলারদের তুলনায় খেলায় এক ভিন্ন মাত্রার তীব্রতা এনে দিয়েছিল। অন্য পেসারদের চেয়ে সে একেবারেই আলাদা।’
এই ম্যাচটিই এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের জার্সিতে সাদের একমাত্র ওয়ানডে। গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ নির্ধারণী সেই ম্যাচে চাপের মধ্যেই ব্যাটিং করতে নামেন তিনি। আঘা সালমানের সঙ্গে গড়ে তোলেন একটি কার্যকর পার্টনারশিপ। যদিও ৪৪ বলে ৩৮ রান করে তাকে ফিরতে হয়, মুস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হয়ে। শেষ পর্যন্ত ১১ রানের জয় নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ।
তবে নিজের আউট হওয়াকেই ম্যাচের মোড় ঘোরানোর মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন সাদ। তিনি মনে করেন, তার বিদায়ের পরই চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান দল, আর সেই আক্ষেপ এখনও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। তা সত্ত্বেও অভিষেকের স্মৃতি তার কাছে বিশেষ হয়ে আছে। সাদ মাসুদ বলেন, ‘ক্রিকেট শুরু করার পর থেকে একটাই স্বপ্ন ছিল- কবে পাকিস্তানের অভিষেক ক্যাপ পাব। আমার জন্য ও আমার পরিবারের জন্য এটা অনেক বড় একটা মুহূর্ত ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছিলাম। আমার ভুল ছিল। যার কারণে সিরিজটাও হেরে যাই। আঘা ভাইয়ের সাথে ভালো একটা পার্টনারশিপ করেছিলাম।’
২১ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার বর্তমানে পিএসএলে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে খেলছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের অবস্থান আরও মজবুত করার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন নাহিদ।










Discussion about this post