এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে পারফরম্যান্সের সুবাদে আলোচনায় উঠে আসা আব্দুল গাফফার সাকলাইন নিজের সেই ছন্দ ধরে রেখেছেন সর্বশেষ বিপিএল ও অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপেও। বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান পোক্ত করে চলা এই ক্রিকেটার গতকাল অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে দুরন্ত একাদশের হয়ে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেন। ২৩ রান খরচায় ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৯ বলে করেন কার্যকর ১৮ রান।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে জাতীয় দলের স্বপ্নের কথা খোলাখুলিভাবেই জানান সাকলাইন। নিজের লক্ষ্য ও বিশ্বাসের জায়গা স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আসলে প্রতিটা প্লেয়ারেরই ইচ্ছা থাকে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। সবার আগে আল্লাহকে ধন্যবাদ। যতটুকু করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। নিজের শক্তির জায়গায় থাকার চেষ্টা করি। ভালোর তো শেষ নেই। আমিও চেষ্টা করছি দিন দিন উন্নতি করার। যতটুকু পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও চেষ্টা করব।’
ধারাবাহিকভাবে ব্যাটিং ও বোলিং-দুই বিভাগেই নিজেকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে চান সাকলাইন। নিজের প্রস্তুতি ও উন্নতির প্রসেস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, ‘আমি সবসময় নিজের শক্তিতে বিশ্বাস রাখি। রিজিকের মালিক আল্লাহ। ভালো খেলা খারাপ খেলা আল্লাহর হাতে, আমি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। যখন এইচপি দলে ডাক পাই, বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিং নিয়েও কাজ করেছি। সেখানে কোচ ছিলেন রাজিন (সালেহ) স্যার, ডেভিড হেম্প। তারা আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। দিন দিন ভালো হচ্ছে, সামনে আরও হবে আশা করি।’
অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে দুরন্ত একাদশের বিদায়ের পর সাকলাইনের সামনে এখন অপেক্ষাকৃত লম্বা বিরতি। এই সময়টাকে কীভাবে কাজে লাগাতে চান, সেটিও স্পষ্ট করেছেন তিনি।
সামনে বিসিএল ওয়ানডে টুর্নামেন্টকে লক্ষ্য রেখে প্রস্তুতির পরিকল্পনা জানিয়ে সাকলাইন বলেন, ‘সামনে আমাদের বিসিএল ওয়ানডে ফরম্যাটে হবে। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করব। ট্রেনিং ফিটনেস মিলিয়ে প্রসেসের মধ্যে থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি ২ বছর আগে প্রথম বিভাগ থেকে জাতীয় লিগে খেলার পর ট্রেইনার রাখি, এইচপিতে যাওয়ার পর তুষার (ইমরান) স্যার আছে। উনি প্ল্যান দিয়েছেন সেভাবে চলছে। ইফতিখার ইসলাম ভাই ছিলেন সর্বশেষ বিপিএলে, উনিও আমাকে প্ল্যান দিয়েছেন। সেই প্রসেসই ধরে রাখছি।’










Discussion about this post