মাঠের বাইরের নানা বিতর্কের মধ্যেই এবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি আপত্তি তুলল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্বাচলের জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মাটি ক্রয়ে অনিয়ম সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে বোর্ড।
৭ ফেব্রুয়ারি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়, পূর্বাচলের স্টেডিয়ামের মাটি লুটের ঘটনায় গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন বিসিবিতে জমা দিয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বিসিবির সাবেক দুই পরিচালক মাহাবুব আনাম ও ফাহিম সিনহা, বর্তমান সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন, কিউরেটর বদিউল আলম খোকন, বোরহান উদ্দিন পাপ্পু এবং উইন্ডস্টার কোম্পানিকে দায়ী করে কারণ দর্শানোর কথা বলা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এই দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে বিসিবি জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি এবং বোর্ডের কাছে কোনো প্রতিবেদন জমা পড়েনি। শনিবার স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল স্টার নিউজের স্টার প্লে থেকে সম্প্রচারিত একটি তদন্ত প্রতিবেদনে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিবি।
বোর্ডের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজ পর্যন্ত অনুসন্ধান কমিটির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবেদন বোর্ডের কাছে জমা দেওয়া হয়নি এবং কমিটিও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অনুসন্ধান ফলাফল বোর্ডে উপস্থাপন করেনি। উপর্যুক্ত তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে, বিসিবির বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট সম্প্রচারে এমন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে যা অনুসন্ধানের বর্তমান অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। বোর্ডটি যথার্থতা, ন্যায্যতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত টেলিভিশন চ্যানেলকে অনুরোধ জানাচ্ছে, যেন তারা প্রচারিত বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সৃষ্ট বিভ্রান্তি সংশোধন করে।’
পূর্বাচলের মাঠ থেকে মাটি চুরির অভিযোগ প্রথম উঠে আসে গণমাধ্যমেই। সেই খবর প্রকাশের পর চাপের মুখে বিসিবি তদন্ত কমিটি গঠন করে। একই সঙ্গে বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট মাঠ পরিদর্শনে গিয়ে মাটি কম থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছিলেন, যা বিতর্ককে আরও ঘনীভূত করে।










Discussion about this post