মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে জয় পেলেই ট্রফি নিশ্চিত করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতা আর শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির প্রভাবে বদলে যাওয়া সমীকরণে সেই সুযোগ হাতছাড়া করে টাইগাররা। তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৬ উইকেটে হেরে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে স্বাগতিকরা, আর হার এড়িয়েছে নিউজিল্যান্ড।
টস হেরে আজ আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খুব খারাপ ছিল না বাংলাদেশের। তবে দ্রুতই ছন্দ হারায় দল। সাইফ হাসানের বিদায়ের পর লিটন দাস কিছুটা আগ্রাসী ব্যাটিং করলেও তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেনের দ্রুত বিদায়ে ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। বৃষ্টির আগে ৬.৪ ওভারে ৫০ রান তুললেও বিরতির পর আর সেই ধার ধরে রাখতে পারেনি তারা।
লিটন দাস ২৬ রান করে ফেরার পর তাওহীদ হৃদয় কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেললেও অন্য প্রান্ত থেকে পাননি সমর্থন। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ৮৬ রান থেকে হঠাৎ করেই ধসে পড়ে। শেষ ৬ উইকেট হারায় মাত্র ১৬ রানে, থামে ১৪.২ ওভারে ১০২ রানে।
বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ১৫ ওভারে নেমে এলে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১০৩ রান। শুরুতে দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় বাংলাদেশ। শরীফুল ইসলামের আঘাতে দ্রুতই ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৩ রানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউইরা।
কিন্তু সেখান থেকেই ম্যাচ ঘুরে যায়। বেভন জ্যাকবস ও ডিন ফক্সক্রফটের অবিচ্ছিন্ন জুটি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে ভেঙে দেয়। ৪০ বলে ৭১ রানের জুটিতে সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। জ্যাকবস ৩১ বলে ৬২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি।
শেষ পর্যন্ত ২০ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। এতে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। প্রথম ম্যাচ জিতে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ, দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হওয়ায় তৃতীয় ম্যাচটি হয়ে ওঠে নির্ধারণী-যেখানে শেষ হাসি হাসতে পারেনি স্বাগতিকরা।









Discussion about this post