অ্যাশেজ সিরিজে ভরাডুবির পর ইংল্যান্ড দলের চারপাশে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে, তার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে মাঠের বাইরের আচরণ। বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টের মাঝের বিরতিতে খেলোয়াড়দের মদ্যপানের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে সাবেক ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার মঈন আলি চেষ্টা করেছেন বিতর্কের ভেতরের বাস্তব চিত্র তুলে ধরতে।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মঈন আলি স্বীকার করেছেন, অ্যাশেজ সফরে কিছু সিদ্ধান্ত আদর্শ ছিল না। তবে তিনি মনে করেন, খেলোয়াড়দের আচরণকে একেবারে নেতিবাচকভাবে দেখানো ঠিক নয়। দীর্ঘ সফর, টানা প্রস্তুতি আর প্রত্যাশার চাপ ক্রিকেটারদের মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে। মঈনের ভাষায়, পাঁচ সপ্তাহের কঠিন প্রস্তুতির পর প্রথম ম্যাচ শুরুর আগেই অনেক সময় খেলোয়াড়রা ভেঙে পড়েন।
মঈন আলি জোর দিয়ে বলেছেন, ইংল্যান্ড দলে কোনো প্রতিষ্ঠিত মদ্যপান সংস্কৃতি নেই। তাঁর মতে, অ্যাশেজ চলাকালে যা হয়েছে, তা বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নিয়মিত অভ্যাস নয়। তিনি মনে করেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে অনেক বেশি রঙ চড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দলের প্রকৃত পরিবেশকে ঠিকভাবে তুলে ধরে না।
একই সঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপ থাকবেই এবং সেই চাপ সামলানোর দায়িত্ব খেলোয়াড়দেরই। তাঁর মতে, চাপ ছাড়া খেলাই অসম্ভব এবং অনেক সময় সেই চাপের মধ্যেই সেরা পারফরম্যান্স বেরিয়ে আসে।
অ্যাশেজ ব্যর্থতার পর ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড খেলোয়াড়দের আচরণ ও প্রস্তুতি নিয়ে কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায় মঈন আলির বিশ্বাস, এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই আরও পরিণত দল হিসেবে ফিরবে ইংল্যান্ড।










Discussion about this post