বিপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে সিলেট টাইটান্স রোমাঞ্চকর জয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জেতালেন সিলেটের ইংলিশ অলরাউন্ডার ক্রিস ওকস। এই হারের ফলে বিদায় নিল রংপুর রাইডার্স।
সিলেটের জন্য লক্ষ্য ছিল ১১২ রান, যা প্রথম থেকেই তেমন উচ্চ না হলেও পুরো ম্যাচ জুড়ে উত্তেজনা বজায় ছিল। শুরুতেই উদ্বোধনী জুটি মাত্র ২ রানে ভেঙে যায়।
এরপর তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলামের সঙ্গে পারভেজ হোসেন ইমন ৩৬ রানের জুটি গড়ে দলের আস্থাকে ধরে রাখেন। তবে ৮ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ইনিংস সাময়িকভাবে সংকটে পড়ে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও স্যাম মিলিংস ঠান্ডা মাথায় এগিয়ে যান এবং দলের লক্ষ্য পূরণের সম্ভাবনা বজায় রাখেন।
রংপুর রাইডার্সের ইনিংসও সহজ ছিল না। সিলেট টাইটান্সের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তারা ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১১ রান করতে সক্ষম হয়। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন। সিলেটের সৈয়দ খালেদ আহমেদ ৪ ওভারে ৪ উইকেট নেন, নাসুম আহমেদ ও ক্রিস ওকস দুজনেই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
ক্রিস ওকসের পারফরম্যান্স ছিল ম্যাচের প্রধান মোড়ঘটক। বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছিলেন। ব্যাট হাতে তিনি শেষ মুহূর্তে অসাধারণ প্রমাণ দেখান।
দলের জন্য শেষ বলে ৬ রানের দরকার ছিল, এবং ওকস সেই ফাহিম আশরাফের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জিতিয়ে দেন। ইতিহাস গড়ে, বিপিএলের প্রথমবার শেষ বলে ৬ রানের সমীকরণ পূরণ করে ছক্কা মারার ঘটনা। এই ম্যাচই ছিল ওকসের বিপিএলে অভিষেক।
এই জয়ের মাধ্যমে সিলেট টাইটান্স দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের পথে স্থায়ী হয়েছে এবং নতুন শক্তি নিয়ে ফাইনালে যেকোনো প্রতিপক্ষকে মোকাবেলার প্রস্তুতি দেখিয়েছে। অপরদিকে, রংপুর রাইডার্সকে বিদায় নিতে হয়েছে, আর বিদায় ঘণ্টা বাজিয়েছে মিরপুরের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ শেষে।










Discussion about this post