বিগ ব্যাশ লিগে প্রথমবার খেলতে নেমেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছেন বাংলাদেশের লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার রিকি পন্টিংয়ের পরামর্শে হোবার্ট হারিকেন্স তাকে দলে নিলেও শুরুতে হয়তো এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স খুব বেশি প্রত্যাশিত ছিল না। তবে মাঠের পারফরম্যান্সেই রিশাদ বুঝিয়ে দিচ্ছেন, কেন তার ওপর আস্থা রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
চলমান আসরে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে হোবার্টের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি রিশাদ। পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার মধ্য দিয়ে তার মোট উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬-এ। দলের অন্য কোনো বোলার এখন পর্যন্ত এত উইকেট নিতে পারেননি। সব দলের বোলারদের মধ্যে উইকেট তালিকায় রিশাদের অবস্থান শীর্ষ পাঁচে।
পার্থের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুটা খুব একটা স্বস্তির ছিল না রিশাদের। প্রথম ওভারে উইকেটের দেখা পাননি তিনি, বরং কিছুটা রানও খরচ হয়। তবে পরের ওভারগুলোতে ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরেন এই লেগস্পিনার। কুপার কনোলি, অ্যারন হার্ডি ও লরি ইভান্সকে আউট করে ম্যাচে নিজের প্রভাব স্পষ্ট করেন তিনি। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে নিয়ে প্রতিপক্ষের রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন রিশাদ।
এর আগে বিগ ব্যাশে অভিষেক ম্যাচে সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে উইকেট না পেলেও খরচ করেছিলেন মাত্র ১৮ রান। পরের ম্যাচগুলোতে তার উন্নতি চোখে পড়ার মতো। মেলবোর্ন স্টারসের বিপক্ষে ২ উইকেট এবং মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিপক্ষে ১ উইকেট নেওয়ার পর পার্থের বিপক্ষে তিন উইকেট তার আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পার্থ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হোবার্ট হারিকেন্স টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথমে কিছুটা চাপে পড়লেও দ্রুতই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরেন রিশাদ। দশম ওভারে অ্যারন হার্ডিকে আউট করে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন এবং ষোড়শ ওভারে লরি ইভান্সকে স্টাম্পড করে নিজের তৃতীয় উইকেট নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত পার্থ স্কর্চার্স ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫০ রান সংগ্রহ করে।










Discussion about this post