আবুধাবির মাটিতে এশিয়া কাপের ডু অর ডাই ম্যাচে দারুণ সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ভর করে প্রথম ভাগে রান তোলার গতি ছিল ঝোড়ো। কিন্তু শেষ দিকে আফগান বোলারদের শৃঙ্খলিত বোলিংয়ে ধীরে ধীরে থেমে যায় সেই ছন্দ। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রানেই থামতে হয়েছে লিটন দাসের দলকে।
আজ বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে বড় আলোচনার নাম তানজিদ তামিম। বাঁহাতি এই ওপেনার ২৮ বলে ফিফটি তুলে কেবল ম্যাচে দলকে এগিয়ে নেননি, ব্যক্তিগতভাবেও জায়গা করে নিয়েছেন রেকর্ডবুকে। আবুধাবিতে তিনি যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম অর্ধশতক করেছেন। তার ব্যাটে আসে ৩১ বলে ৫২ রান, ৪টি চার আর ৩টি ছয়ের সাহায্যে।
এই ইনিংসেই ভাঙে একাধিক রেকর্ড। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ছাড়িয়ে যান পারভেজ হোসেন ইমনকে, এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৬ ছয় হাঁকিয়ে। আর তার দ্বিতীয় ছক্কাতেই দলীয় রেকর্ড নিশ্চিত হয়—২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ১২৬ ছক্কা মেরে টাইগাররা পেরিয়ে যায় গত বছরের সর্বোচ্চ ১২২ ছয়ের রেকর্ড।
তবে তানজিদের বিদায়ের পর আর কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয় ২০ বলে ২৬ রান করে ওমরজাইয়ের বলে ক্যাচ দেন। শেষ ওভারে ৯ রান এলেও শেষ তিন বলে ব্যাটে বলই লাগাতে পারেননি জাকের আলী অনিক। শেষ পর্যন্ত তিনি ১৩ বলে করেন ১২ রান। অপরাজিত থেকে নুরুল হাসান সোহান করেন ৬ বলে ১২।
শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ মাত্র ৬৭ রান। আফগানিস্তানের হয়ে নূর আহমেদ ও রশিদ খান তুলে নেন দুটি করে উইকেট, আর একটি নেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
প্রথম দিকে রেকর্ড ঝড় তুললেও শেষের দিকে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ম্যাচে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের শক্তিশালী স্পিন আক্রমণের সামনে ১৫৪ রান যথেষ্ট হবে কি না, এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।










Discussion about this post