সিরিজজুড়ে গতির ঝড় তুলে আলো কেড়ে নিয়েছিলেন নাহিদ রানা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষে ‘সেরা খেলোয়াড়’ পুরস্কার হাতে নিয়ে সময়টা তার জন্য হওয়ার কথা ছিল নিখাদ আনন্দের। কিন্তু সেই আনন্দের মাঝেই অস্বস্তির এক রেখা টেনে দিয়েছে হঠাৎ পাওয়া চোট।
চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বাউন্ডারি ঠেকাতে দৌড়ে গিয়ে ভারসাম্য রাখতে বিজ্ঞাপন বোর্ডে হাত রাখেন নাহিদ। সেখানেই লুকিয়ে ছিল বিপত্তি-বোর্ডের পেরেকে লেগে ডান হাত ছিলে যায় তাঁর। পরে হাতে ব্যান্ডেজ করতে হয়েছে, যদিও বড় কোনো শঙ্কার খবর নেই।
বিসিবির চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীর কথায় স্বস্তির সুরই বেশি। সেলাই লাগেনি, কয়েক দিনের বিশ্রামেই আবার বোলিংয়ে ফিরতে পারবেন এই তরুণ পেসার। তবু চোটের এই ঘটনাই আপাতত বদলে দিয়েছে তাঁর কাছের সময়ের পরিকল্পনা।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে নাহিদের পারফরম্যান্সই ছিল বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের প্রধান শক্তি। তিন ম্যাচে ৮ উইকেট নেওয়ার পথে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর গতিময় বোলিংয়ে পুরো সিরিজজুড়েই অস্বস্তিতে ছিল প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানরা।
সিরিজ শেষেই তাঁকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। চট্টগ্রামে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে রাখা হয়নি দলে। একই সঙ্গে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ফেরার অনুমতিও পায়নি নাহিদ। আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির জন্যই তাঁকে রাখা হচ্ছে বিশ্রামে। তবে চোটের বিষয়টিও এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলেই জানা গেছে।
আগামী ৮ মে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে নাহিদকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে বলে ভাবা হচ্ছে। তাসকিন আহমেদের সঙ্গে পেস আক্রমণের অন্যতম ভরসা হতে পারেন তিনি। তাই এখন ঝুঁকি না নিয়ে তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্ট।









Discussion about this post