বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে অ্যাডহক কমিটির হাত ধরে। সর্বশেষ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে উঠে আসার পর ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ। এরপরই ১১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয় তামিম ইকবালকে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দ্রুত সিদ্ধান্তে এগোচ্ছে নতুন বোর্ড। বুধবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বোর্ড সভায় বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাঠামোকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বণ্টনে যেমন অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে, তেমনি কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে ভিন্নধর্মী চিন্তাভাবনা।
সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত এসেছে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটিকে ঘিরে। সাধারণত এই গুরুত্বপূর্ণ বিভাগটি একজন নির্দিষ্ট পরিচালকের হাতে থাকে। তবে এবার সেটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। সভাপতি তামিম ইকবালের মতে, এই দায়িত্ব পুরো বোর্ড মিলে সামলাবে, যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।
বোর্ডের অন্যান্য বিভাগগুলোতে নির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। গ্রাউন্ডস কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন রফিকুল ইসলাম বাবু। টুর্নামেন্ট কমিটির নেতৃত্বে আছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, যিনি দেশের ক্রিকেট কাঠামো সম্পর্কে অভিজ্ঞ। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের উন্নয়নে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তানজিল চৌধুরীকে।
আম্পায়ারিং সেক্টরকে শক্তিশালী করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আতহার আলী খানকে। আর্থিক ও কল্যাণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ দেখবেন ইসরাফিল খসরু। একইসঙ্গে মার্কেটিং ও শৃঙ্খলা বিষয়ক দায়িত্ব পেয়েছেন সালমান ইস্পাহানী।
নারী ক্রিকেটসহ মেডিকেল ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা তত্ত্বাবধানে থাকছেন রাশনা ইমাম, যা নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে আলাদা গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। গেম ডেভেলপমেন্ট ও বিপিএল দেখবেন ফাহিম সিনহা, নিরাপত্তা ও ক্রয়সংক্রান্ত বিষয়গুলো সায়েদ ইব্রাহিম আহমেদের দায়িত্বে। লজিস্টিকস পরিচালনায় রয়েছেন মির্জা ইয়াসির।










Discussion about this post