সাফল্যের ধারাবাহিকতাটা ধরে রাখল নিউজিল্যান্ড। টেস্টের পর ওয়ানডেতেও সেই একই দাপট। তিন মাস পর ওয়ানডে ফিরলেন ক্রিস গেইল। তার সঙ্গী হয়ে বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নেমেছিলেন এভিন লুইসও। তারপরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। টেস্ট সিরিজের মতো এবার ওয়ানডের শুরুটা হয়েছে হারে। তাতে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল কেন উইলিয়ামসনের দল।
ফাঙ্গারেইতে এদিন টস হেরে এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গেইল শুরু থেকেই ছিলেন ধীরে। লুইসও খেলছিলেন অনেকাটা তার স্বভাববিরুদ্ধ। তারপরও দু’জনে ওপেনিং মোটামুটি ভীত গড়ে দিয়েছিলেন সফরকারীদের। কিন্তু গেইল আউট হওয়ার সঙ্গে রান তোলার গতি আরও কমে যায় ক্যারিবীয়দের। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লুইস ১০০ বলে করেন ৭৬ রান। শেষ দিকে চার ছক্কায় ৫০ বলে ৫৯ করেন পাওয়েল। তাতেই নির্ধারিত ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোর বোর্ডে দাঁড় করার ৯ উইকেটে ২৪৮ রান। নিউজিল্যান্ডের ডগ ব্রেসওয়েল ৫৫ রানে নেন ৪টি উইকেট।
জবাব দিতে নেমে ৫ উইকেট হারালেও কখনোই মনে হয়নি হারতে পারে নিউজিল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতেই কাজ অনেকটা এগিয়ে দেন জর্জ ওয়ার্কার ও কলিন মানরো। ১০০ বলে ১০৮ রানের জুটি গড়েন তারা। ৩৬ বলে ৪৯ করে আউট হন মানরো। ৬৬ বলে ৫৭ করে অফ স্পিনার অ্যাশলে নার্সের ভেতরে বলে বোল্ড বাঁহাতি ওয়ার্কার। এরপর কেন উইিলয়ামসন-টম ল্যাথামরা রান করলেও পারেননি ইনিংস টেনে নিতে। অপরাজিত ৪৯ রানে দলের জয় নিয়ে ফিরেছেন রস টেইলর।
সংক্ষিপ্ত স্কোর-
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ৫০ ওভারে ২৪৮/৯ (গেইল ২২, লুইস ৭৬, হেটমায়ার ২৯, জেসন ৯, হোল্ডার ৮, পাওয়েল ৫৯, নার্স ২, বিটন ৩, উইলিয়ামস ১৬**; ফার্গুসন ২/৪৯, ব্রেসওয়েল ৪/৫৫, অ্যাস্টল ৩/৩৩)।
নিউজিল্যান্ড: ৪৬. ওভারে ২৪৯/৫ (ওয়ার্কার ৫৭, মানরো ৪৯, উইলিয়ামসন ৩৯, টেইলর ৪৯*, ল্যাথাম ১৭, নিকোলস ১৭, অ্যাস্টল ১৫*, হোল্ডার ২/৫২, উইলিয়ামস ১/১৮, নার্স ২/৫৫)
ফল: নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী
সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজ নিউজিল্যান্ড ১-০তে এগিয়ে
ম্যাচসেরা: ডগ ব্রেসওয়েল









Discussion about this post