একদিন বাদেই শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি মিশন। ওয়ানডে সিরিজ জয়ের উচ্ছ্বাস এখনো তাজা। আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে লিটন কুমার দাসদের। এবার মঞ্চ চট্টগ্রাম-যেখানে উইকেটের রংই বদলে দিচ্ছে দুই ড্রেসিংরুমের মেজাজ।
মিরপুরের ধীর, কালো পিচের বিপরীতে চট্টগ্রামের উইকেট বাদামি-সবুজাভ। এমন উইকেট দেখে মুখে হাসি ফুটেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ ড্যারেন স্যামির। বাংলাদেশের মাটিতে বিপিএলে বহুবার খেলা স্যামি ভালো করেই জানেন-এ মাঠে ব্যাটসম্যানদের জন্য স্বস্তির হাওয়া বইতে পারে।
স্মৃতিও স্যামির অনুপ্রেরণা। গত বছর ঢাকায় বাংলাদেশ যেমন ৩–০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল, তার আগে ক্যারিবীয়দের মাঠে কিন্তু একই ব্যবধানে জয় পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার সেই প্রতিশোধেই নামবে ক্যারিবীয়রা।
কিন্তু সময় অনেক বদলে গেছে। দুই বছর আগেও টি-টোয়েন্টিতে এগিয়ে ভাবা যেত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এখন আর তা নয়। রেকর্ড বলছে, বর্তমান সময়ে এই ফরম্যাটে বাংলাদেশই ফেভারিট।
ওয়ানডেতে টানা চারটি সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন উল্টো ছন্দে। পরপর চারটি সিরিজ জিতেছে দলটি পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও। সেই সিরিজে তো ক্যারিবীয়দের মাঠেই ৩–০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল বাংলাদেশ।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাম্প্রতিক চিত্র একেবারেই উল্টো। চলতি বছরে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে চারটিতেই হেরেছে তারা। কেবল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত সিরিজে পেয়েছে ১–০ ব্যবধানের জয়। নেপালের মতো নবীন দলের কাছেও হেরেছে ২–১ ব্যবধানে।
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ এখন স্পষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে ২০২৫ সালের বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করা। চট্টগ্রামের রানপ্রসবা উইকেট তাই তাদের জন্য আদর্শ অনুশীলনের মঞ্চ। ঘূর্ণি ফাঁদ পেতে নয়, বরং ব্যাটিং–বোলিংয়ের ভারসাম্য রেখে বিশ্বকাপের উপযোগী ক্রিকেট খেলতে চায় দলটি।
প্রথম টি-টোয়েন্টি ২৭ অক্টোবর, এরপর ২৯ ও ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ। তিনটিই হবে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে, শুরু সন্ধ্যা ৬টায়।










Discussion about this post