আইএল টি-টোয়েন্টিতে নিজের আগুনে বোলিংয়ের আরও একটি নজির গড়লেন মুস্তাফিজুর রহমান। খরুচে শুরু হলেও অভিজ্ঞতা আর বৈচিত্র্যে ভর করে গাল্ফ জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন বাংলাদেশের এই বাঁহাতি পেসার।
রোববার আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে গাল্ফ জায়ান্টস ১৩ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে ফেলেছিল। ম্যাচ তখন জায়ান্টসের দিকেই হেলে ছিল। ঠিক সেই সময় ১৪তম ওভারে আক্রমণে এসে দুবাই ক্যাপিটালসকে ম্যাচে ফেরান মুস্তাফিজ।
ওভারের শুরুতে জেমস ভিন্সের চার আর একটি ওয়াইডে কিছুটা চাপে পড়লেও দ্রুত ছন্দ খুঁজে পান তিনি। স্লোয়ার ডেলিভারিতে ভিন্সকে কিপারের ক্যাচে ফিরিয়ে শুরু হয় ধস। পরপর দুই বলে আজমাতউল্লাহ ওমারজাই ও শন ডিকসনকে বোল্ড করে চার বলের মধ্যেই তিন উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ। ওই ওভারে খরচ হয় মাত্র ৬ রান।
এর আগে নিজের দ্বিতীয় ওভারে একটি চার ও একটি ছক্কা হজম করে ১৩ রান দিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। তবে এরপর বলের গতির পরিবর্তন আর নিখুঁত লাইন-লেন্থে ব্যাটসম্যানদের চাপে ফেলতে থাকেন তিনি।
গাল্ফ জায়ান্টস শেষ পর্যন্ত এক বল বাকি থাকতে ১৫৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। মুস্তাফিজ নিজের ৩.৫ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ইনিংসের শেষদিকে তার আরেক ওভারে টানা তিন বলে তিন ব্যাটসম্যান রান আউট হন, যা ম্যাচে ক্যাপিটালসের আধিপত্য আরও স্পষ্ট করে দেয়।
জবাবে দুবাই ক্যাপিটালস ৬ উইকেট হারিয়ে চার বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয়। দুর্দান্ত বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে আইএল টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার ম্যাচসেরার স্বীকৃতি পান মুস্তাফিজুর রহমান।
চলতি আসরে এটি মুস্তাফিজের ধারাবাহিক সাফল্যেরই অংশ। আগের ম্যাচে এমআই এমিরেটসের বিপক্ষে এক ওভারে মাত্র ১ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। অভিষেক আসরে সাত ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা এখন ১৪, ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৮.২৯। উইকেট তালিকায় তার চেয়ে এগিয়ে আছেন শুধু সতীর্থ ওয়াকার সালামখিল।










Discussion about this post