নারী ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ ভারতের গৌহাটিতে। উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামবে মূল আয়োজক ভারত এবং সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান ভারতের মাটিতে খেলতে রাজি না হওয়ায় শ্রীলঙ্কা রাখা হয়েছে সহ-আয়োজক হিসেবে। পাকিস্তানের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোতে।
আসরে অংশ নিচ্ছে আট দল। আইসিসি নারী চ্যাম্পিয়নশিপে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা। বাছাই পর্ব পেরিয়ে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
বাংলাদেশের জন্য এটি দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো টাইগ্রেসরা খেলেছিল নিউজিল্যান্ডে। সেবার সাত ম্যাচে মাত্র একটি জয় আসে পাকিস্তানের বিপক্ষে। এবার সেই সীমা ছাড়ানোর প্রত্যাশায় মাঠে নামছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। অধিনায়ক বলেছেন, প্রথম বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতা কম থাকলেও এখন দল অনেক পরিণত, বড় ম্যাচে লড়াই করার মানসিকতা তৈরি হয়েছে।
মোট ৩১ ম্যাচের এই আসরে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। লিগপর্ব শেষে সেরা চার দল খেলবে সেমিফাইনালে। ২৬ অক্টোবর লিগপর্ব শেষ হবে, ২৯ ও ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে দুই সেমিফাইনাল, আর ২ নভেম্বর ফাইনাল দিয়ে নামবে আসরের পর্দা।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ২ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে কলম্বোতে। এরপর ইংল্যান্ড (৭ অক্টোবর) ও নিউজিল্যান্ডের (১০ অক্টোবর) মুখোমুখি হবে গৌহাটিতে। বিশাখাপত্তমে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা (১৩ অক্টোবর) ও অস্ট্রেলিয়ার (১৬ অক্টোবর) বিপক্ষে। বাকি দুটি ম্যাচ হবে নাভি মুম্বাইয়ে—২০ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ও ২৬ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে।
প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে ভালো সূচনা করেছে টাইগ্রেসরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও শ্রীলঙ্কাকে ১ রানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী করেছে দলকে।
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের ইতিহাস দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের দখলে। অস্ট্রেলিয়া জিতেছে রেকর্ড সাতবার, ইংল্যান্ড চারবার এবং নিউজিল্যান্ড একবার।










Discussion about this post