টানা দুই জয়ের পর পরের দুই ম্যাচে হেরে চাপে পড়ে গিয়েছিল লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলতি আসরে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে এসে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্ত বার্তা দিল দলটি। আশিকুর রহমান শিবলির দুর্দান্ত শতকে ভর করে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে রূপগঞ্জ।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে রূপগঞ্জ তুলেছে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫৪ রান। এই বড় সংগ্রহের বড় কারিগর ইনফর্ম ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি। তার ব্যাট থেকে এসেছে দেখার মতো এক শতরান।
বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে রূপগঞ্জ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে গুলশানের বোলারদের চাপে রাখেন দুই ওপেনার শিবলি ও হাবিবুর রহমান। দুজনের জুটিতে আসে দ্রুত রান। হাবিবুর অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩০ বলে ৩৯ রান করে ফিরলেও শুরুটা দলকে এনে দেন তিনি।
এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন শিবলি। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ইনিংসকে বড় করার কাজটি করেন এই ওপেনার। তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন রবিউল ইসলাম রবি। তৃতীয় উইকেটে দুজনের জুটিতে রানের গতি আরও বাড়ে। রবি ৭৩ বলে ৬৫ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও একটি ছক্কা।
এরপর দ্রুত রান তোলার দায়িত্ব নেন সামিউন বশির রাতুল। মাত্র ৩০ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংস রূপগঞ্জের স্কোরকে আরও বড় করে তোলে। শেষদিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান–ও ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। মাত্র ১৮ বলে ৩৩ রান করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান তিনি।
তবে পুরো ইনিংসের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন শিবলি। চলতি লিগের প্রথম ম্যাচে মাত্র এক রানের জন্য শতক হাতছাড়া হয়েছিল তাঁর। এবার আর ভুল করেননি এই তরুণ ব্যাটার। ধৈর্য ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মিশেলে ১৩০ বলে ১১৯ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল নয়টি চার ও চারটি ছক্কা।
নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৫৪ রান তোলে রূপগঞ্জ। বড় এই সংগ্রহের সুবাদে জয়ে ফেরার শক্ত ভিত গড়ে ফেলেছে দলটি। এখন বোলাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে পারলে চলতি ডিপিএলে নিজেদের তৃতীয় জয় তুলে নেওয়ার সুযোগ থাকবে রূপগঞ্জের সামনে।










Discussion about this post