টানা দুই হারের হতাশা কাটিয়ে অবশেষে জয়ের ছন্দে ফিরেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আজ বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ২০৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে দলটি। দুর্দান্ত এই জয় তুলে নিতে রূপগঞ্জের লেগেছে মাত্র ৩১.৩ ওভার, হাতে ছিল আরও ১১১ বল।
রূপগঞ্জের জয়ের নায়ক ছিলেন তরুণ ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি। তাঁর অনবদ্য সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় দলটি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৪৯ রানেই গুটিয়ে যায় গুলশান ক্রিকেট ক্লাব।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে থাকে রূপগঞ্জ। উদ্বোধনী জুটিতে শিবলি ও হাবিবুর রহমান দ্রুত রান তোলেন। হাবিবুর ৩০ বলে ৩৯ রান করে ফিরলেও ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। অন্য প্রান্তে দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে থাকেন শিবলি।
চলতি আসরের প্রথম ম্যাচে ৯৯ রানে আউট হওয়ার আক্ষেপ এবার ঘুচিয়েছেন এই ওপেনার। ১৩০ বলে ১১৯ রানের চমৎকার ইনিংসে তিনি হাঁকান ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা। ধৈর্য, শট নির্বাচন ও সময়মতো আক্রমণের মিশেলে এটি ছিল পরিপূর্ণ এক ইনিংস।
মাঝের ওভারে রবিউল ইসলাম রবি ৭৩ বলে ৬৫ রান করে শিবলিকে দারুণ সঙ্গ দেন। পরে সামিউন বশির রাতুল ৩০ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসানও শেষদিকে ১৮ বলে ৩৩ রান করে দলের সংগ্রহকে আরও বড় করেন।
৩৫৫ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা। একমাত্র শাহরিয়ার সাকিব প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তিনি ৬৫ বলে ৬১ রান করেন, ইনিংসটি সাজানো ছিল ৭টি চার ও ১টি ছক্কায়। এছাড়া মুসাব্বির হোসেন মুন করেন ২৬ রান এবং আলিফ ইমন যোগ করেন ১৩ রান।
বোলিংয়ে রূপগঞ্জের হয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাসুম আহমেদ। ৩২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। এছাড়া রাতুল ও রবি দুটি করে উইকেট নেন। সালাউদ্দিন শাকিল ও শেখ মাহাদিও পান একটি করে উইকেট।
দাপুটে এই জয়ে টানা হারের ধাক্কা সামলে আবারও আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।










Discussion about this post