দেশের তৃণমূল ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেট আবারও শুরু হতে যাচ্ছে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও প্রাইম ব্যাংক-এর আয়োজনে এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে ৬৪ জেলার ৩৫০টি স্কুল। প্রায় সাড়ে আট হাজার তরুণ ক্রিকেটারের অংশগ্রহণে ৬৫১টি ম্যাচ নিয়ে ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে এই আয়োজন, যা প্রথমে জেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে পরে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে গড়াবে।
টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত স্কুল ক্রিকেটের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমি মনে করি যে স্কুল ক্রিকেটটাকে খুব বড় করে দেখা উচিত এবং যারা দায়িত্বে আছেন ক্রিকেট বোর্ড এবং প্রাইম ব্যাংককে ধন্যবাদ যে এত সুন্দরভাবে প্রত্যেকটি স্কুলকে সাহায্য করছে।’
বর্তমান প্রজন্মের চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা বলেন শান্ত, ‘দেখেন আমরা যখন বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে খেলছি, আমরা সাকিব ভাইকে দেখেছি, তামিম ভাইকে দেখেছি, মুশফিক ভাইকে দেখেছি। তো এখন যদি ওইভাবে আমি তুলনা করি অবশ্যই ওই জায়গাটাতে আমরা একটু স্ট্রাগল করছি। কিন্তু আস্তে আস্তে আমার মনে হয় যে এই ফাঁকা জায়গা পূরণ হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, যিনি এই টুর্নামেন্টকে শুধু ক্রিকেটার তৈরির প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখেন। তিনি আরও বেশি স্কুলকে এই প্রতিযোগিতায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান এবং পুরনো দিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কুল ক্রিকেট ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাওহিদ হৃদয় নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, স্কুল ক্রিকেটই তার ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দিয়েছে। এই টুর্নামেন্ট থেকেই বহু ক্রিকেটার উঠে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও আসবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তবে আবহাওয়াজনিত কারণে খেলা ভেস্তে যাওয়ার সমস্যা এড়াতে সময়সূচি নিয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।
এবারের আসরে বাড়ানো হয়েছে স্কলারশিপ সুবিধাও। আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক ক্রিকেটারকে বৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে এবং অর্থের পরিমাণও দ্বিগুণ করা হয়েছে। এতে তরুণদের উৎসাহ বাড়বে বলে মনে করছেন আয়োজকেরা।










Discussion about this post