সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রদর্শন করলো নিয়ন্ত্রিত ও দৃঢ় পারফরম্যান্স। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের তৃতীয় ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অন্যদিকে, নবাগত নোয়াখালী দলের জন্য টুর্নামেন্টে হতাশার ধারা অব্যাহত থাকে, তিন ম্যাচ খেলে জয়ের দেখা পাননি তারা।
টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নোয়াখালী। দলীয় মাত্র ১৮ রানে প্রথম দুই উইকেট হারায় তারা। ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ৬ বলে ৫ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন, এরপর সাব্বিরও সুবিধা করতে পারেননি। রিপন মণ্ডলের বলে ১১ বলে ৬ রান করা সাব্বির আউট হলে দলীয় চাপে আরও বৃদ্ধি পায়। মাজ সাদাকাত কিছুটা প্রতিরোধ দেখান, তবে শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৯ বলে ২৫ রান করে আউট হন। এর পর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৭ বলে ২২ রান করে ফিরে যান, জাকের আলী অনিক মাত্র ৬ রান করতে পারেন। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হায়দার আলী ২৮ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে নোয়াখালী সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৪ রান।
শীতের রাতে আজ রাজশাহীকে তাড়া করতে নামার পর শুরুটা ভালো যায়নি। শাহিবজাদা ফারহান মাত্র ২ রান করে আউট হন। তবে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে ৬৫ রানের জুটি গড়ে দলকে সঙ্গ দেয়। শান্ত ২০ বলে ২৪ রান করে আউট হন, তানজিদ ২০ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান। এরপর হোসাইন তালাত মাত্র ৩ রান করে আউট হলে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।
শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলী ধৈর্য ধরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। মুশফিক ৩০ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন, ইয়াসির ২৬ বলে ২৩ রান করেন। বোলিংয়ে নোয়াখালী দমে থাকে না, তবে হাসান মাহমুদ দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচে সাফল্য দেখান। রেজাউর রহমান রাজা ও জহির খান একটি করে উইকেট নিলেও রাজশাহীর জয়কে আটকাতে পারেননি।










Discussion about this post