২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ নেপালকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপসেরা হিসেবেই শেষ আটের টিকিট কেটেছে ক্যারিবীয়রা। টানা তৃতীয় জয়ে আত্মবিশ্বাসী দলটি ব্যাট-বল দুই বিভাগেই দেখিয়েছে আধিপত্য।
টস হেরে আজ আগে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে নেপাল জাতীয় ক্রিকেট দল। প্রথম ওভারেই কুশল ভূর্তেল ফিরে গেলে ধসের সূচনা। ১৭ রানের মধ্যে রোহিত পাওদেল ও আসিফ শেখ আউট হলে তিন উইকেট হারায় নেপাল। আরিফ শেখ ও লোকেশ বামও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ৪৬ রানে পঞ্চম উইকেট পতনের পর শতরানের আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়।
দলকে লড়াইয়ে রাখেন দিপেন্দ্র সিং আইরে। একপ্রান্ত আগলে রেখে তিনি গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। শুলসান ঝা বিদায় নিলেও সম্পাল কামিকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরান। এটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপালের সপ্তম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড। দিপেন্দ্র ৪৭ বলে ৫৮ রান করেন, সমান তিনটি করে চার ও ছক্কায় সাজানো ইনিংসে। সম্পাল ১৫ বলে অপরাজিত ২৫ রান যোগ করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৩ রানে থামে নেপাল।
ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন জেসন হোল্ডার। চার উইকেট নিয়ে নেপালের মাঝের সারি ভেঙে দেন তিনি। আকিল, ফোর্ড, শামার ও চেজ নেন একটি করে উইকেট। সমন্বিত বোলিংয়েই বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ পায়নি নেপাল।
১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৩ রান যোগ করেন ব্র্যান্ডন কিং ও অধিনায়ক শাই হোপ। নন্দন যাদবের বলে কিং ২২ রান করে আউট হলেও সেটিই ছিল নেপালের একমাত্র সাফল্য। এরপর হোপ ও শিমরন হেটমায়ার গড়ে তোলেন ৯১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি, যা ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেয়।
হোপ খেলেন দায়িত্বশীল ইনিংস, ৫ চার ও ৩ ছক্কায় অপরাজিত ৬১ রান। হেটমায়ারও ছিলেন আক্রমণাত্মক, ৪ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৪৬ রান করেন। মাত্র ১৫.২ ওভারেই ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৯ উইকেটের এই জয়ে গ্রুপপর্ব শেষ না হতেই নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের সুপার এইটের টিকিট।










Discussion about this post