নাহিদ রানার রেকর্ড গড়া বোলিংয়ে প্রথম ওয়ানডেতে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট হয়েছে জিম্বাবুয়ে। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বোলারদের সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন এই ডানহাতি পেসার।
এতদিন বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজা ও রুবেল হোসেনের দখলে। ২০০৬ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ১০ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মাশরাফি। পরে ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫.৫ ওভারে একই খরচায় ৬ উইকেট শিকার করেছিলেন রুবেল। সেই রেকর্ড এবার ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলেন নাহিদ।
আজ ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে অবশ্য ভালোই এগোচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। দুই ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেট ৩৬ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ১৯ বলে ১৮ রান করা কারান রানআউট হলে ভাঙে সেই জুটি। একই ওভারে ২৪ বলে ১৭ রান করা বেনেটকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ।
এরপর দ্রুতই ধসে পড়ে স্বাগতিকদের ব্যাটিং। চারে নামা ক্রেইগ আরভিন গোল্ডেন ডাকের শিকার হন তাসকিনের বলে। এরপর নাহিদ রানার গতির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। সিকান্দার রাজাকে ১২ বলে ১ রানে ফিরিয়ে উইকেটের খাতা খোলেন তিনি। পরে একে একে ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদান্দে, ইনোসেন্ট কাইয়া, ব্র্যাড ইভান্স এবং অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভাকে সাজঘরে ফেরান এই পেসার।
তিন নম্বরে নামা ইনোসেন্ট কাইয়া ৩৯ বলে ২৬ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৭০ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে একশ রানের আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে জিম্বাবুয়ে।
তবে নবম উইকেটে রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান নিয়ামহুরির জুটি দলকে শতরান পার করে। এনগারাভা ৪১ বলে ২৭ রান করেন, আর নিয়ামহুরি ৫১ বলে ৩৩ রান করে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত এনগারাভাকে বোল্ড করে ৬ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ রানা। নিয়ামহুরিকে আউট করেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা ১০ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ শিকার করেন ২টি উইকেট। মেহেদী হাসান মিরাজ নেন শেষ উইকেটটি।









Discussion about this post