এশিয়া কাপে আজ দুবাইয়ে ফাইনালে ওঠার সমীকরণ স্পষ্ট-বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের লড়াই কার্যত অঘোষিত সেমিফাইনাল। যে দল জিতবে, তারাই জায়গা করে নেবে ভারতের সঙ্গে শিরোপা লড়াইয়ে। হার মানেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়।
এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশ শিবিরে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হয়ে উঠেছেন ওপেনার সাইফ হাসান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে খুব একটা আলোচনায় ছিলেন না, কিন্তু সুযোগ পেয়েই একের পর এক ইনিংসে নিজেকে প্রমাণ করছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে করেন ৩০ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেন ম্যাচ জেতানো ফিফটি, আর ভারতের বিপক্ষে খেলেন ৬৯ রানের ঝলমলে ইনিংস। তিন ম্যাচে ১৬০ রান করে এখন তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলের চোখও তাই তাঁর দিকেই। তিনি বলেন, ‘সাইফ নিয়মিত রান করছে, ব্যাটিংয়ে তার উপরই স্পটলাইট থাকবে।’
তবে সবকিছুই যেমন উজ্জ্বল নয়, তেমনি চিন্তার জায়গাও রয়েছে। বিশেষ করে মিডল অর্ডারের ব্যাটিং নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। দীনেশ কার্তিক আশা করছেন, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফর্মে ফিরবেন তাওহিদ হৃদয়। তার মতে, হৃদয় দলের অন্যতম ভরসা, যিনি রান পেলে বড় পরিবর্তন আনতে পারেন।
আরও খোলামেলা সমালোচনা করেছেন সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক রমিজ রাজা। ভারতের বিপক্ষে ব্যর্থতায় ক্ষোভ ঝরেছে তার কণ্ঠে। হৃদয়ের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট খেলার সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, ‘যখন লক্ষ্য সামনে থাকে, তখন পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করতে হয়। টেল-এন্ডারের মতো এক শট খেলে আউট হওয়া মানে নিজের সুযোগ নষ্ট করা।’ তবে সমালোচনার মাঝেই তিনি সম্ভাবনার কথাও বলেছেন, ‘বাংলাদেশি ব্যাটারদের সামর্থ্য আছে। যদি তারা পরিস্থিতি বোঝে, তারা বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে।’
আজকের ম্যাচ তাই শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং বাংলাদেশের ব্যাটিং শক্তির পরীক্ষা!










Discussion about this post