কলম্বোর আর প্রেমাদাসা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টি আর ম্যাচ বর্জনের শঙ্কা পেছনে ফেলে অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান লড়াই। আজ টস জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। ভারতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। তবে ক্রিকেটীয় কৌশলের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে আসে টস-পরবর্তী একটি দৃশ্য-দুই অধিনায়কের হাত না মেলানো।
উপস্থাপকের সঙ্গে কথা বলে নিজের পরিকল্পনা জানানোর পর সালমান সরে যান। ঠিক তখনই সামনে আসছিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সেই মুহূর্তে চোখাচোখি বা করমর্দন-কিছুই হয়নি। গ্যালারিতে থাকা দুই দলের সমর্থকদের গর্জন যেন দৃশ্যটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
এই ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্কের সূত্রপাত গত বছরের এশিয়া কাপ থেকে। এশিয়া কাপ-এ ভারত–পাকিস্তান তিনবার মুখোমুখি হলেও কোনো ম্যাচেই দুই দলের খেলোয়াড়দের করমর্দন দেখা যায়নি। পরবর্তীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরেও একই শঙ্কা ছিল, এবং প্রেমাদাসায় টসের মঞ্চে সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রইল।
পটভূমিতে রয়েছে দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর কূটনৈতিক সম্পর্কে যে নতুন তিক্ততা তৈরি হয়, তার প্রভাব ক্রিকেট মাঠেও পড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক-বিতর্ক কম হয়নি। ভারতের সাবেক অফস্পিনার হরভজন সিং অবশ্য মনে করেন, করমর্দন বাধ্যতামূলক কিছু নয়; এটি পুরোপুরি খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
মাঠের লড়াইয়ে পাকিস্তান অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নেমেছে। অন্যদিকে ভারতের দলে দুটি পরিবর্তন এসেছে—ফিরেছেন অভিষেক শর্মা ও কুলদীপ যাদব; বাইরে গেছেন আর্শদীপ সিং ও সাঞ্জু স্যামসন।










Discussion about this post