অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার তাসকিন আহমেদ চিকিৎসা শেষে নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে ইনজুরির কারণে আসন্ন টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে পড়া সতীর্থ নাহিদ রানার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে আবারও একসঙ্গে মাঠে নামার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন এই ডানহাতি পেসার।
শনিবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন তাসকিন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আশা করি আমাদের শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হবে এবং ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই আমার ভাই নাহিদ রানার সঙ্গে আবার একসঙ্গে খেলতে পারব।’
একই পোস্টে চিকিৎসা সেবার জন্য বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাসকিন। অস্ট্রেলিয়ায় চিকিৎসক ড. ড্রর মাওরের পাশাপাশি বাংলাদেশি সহযোগী বাবুর অবদানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তাসকিন লিখেছেন, ‘আমাদেরকে আপনার অসাধারণ সেবার জন্য ডাঃ দ্রোর মাওরকে বিশেষ ধন্যবাদ। এছাড়াও আমাদের বাংলাদেশী ভাই অসাধারণ #বাবু ভাই, আপনি আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
বাংলাদেশ দলের দুই পেসারই বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করলেও সিরিজের শুরু থেকেই একসঙ্গে মাঠে নামা হচ্ছে না তাদের। সাইড স্ট্রেনের চোটে পুরো দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন নাহিদ রানা। অন্যদিকে ইনজুরি কাটিয়ে দলে থাকলেও নিজের ফিটনেস ফিরে পেতে কাজ করে যাচ্ছেন তাসকিন।
ইতোমধ্যে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। শুক্রবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন প্রথম বহরের ১৭ সদস্য ঢাকা ত্যাগ করেন। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে স্থানীয় একটি দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এরপর কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শেষে শুরু হবে মূল লড়াই। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ছয়টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একমাত্র জয়টি এসেছে ২০১৭ সালে মিরপুরে। বাকি পাঁচ ম্যাচের তিনটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হারতে হয়েছে টাইগারদের। দুই দশকেরও বেশি সময় পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ফিরছে বাংলাদেশ।










Discussion about this post